মোঃ মামুন হোসেন নালিতাবাড়ী (শেরপুর)
সবুজ পাহাড়, শালবন, লেক আর পাহাড়ি আবহে ঘেরা মধুটিলা ইকোপার্ক এখন উত্তরাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণকেন্দ্র। স্বল্প খরচে পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য ঈদের এই দীর্ঘ অবসরে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার এই পাহাড়ি জনপদকে।
ভারতের মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা নালিতাবাড়ীর বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকা জুড়ে গড়ে উঠেছে চমৎকার সব দর্শনীয় স্থান, যার মধ্যে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠা মধুটিলা ইকোপার্ক প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়।
প্রায় ৩৮০ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত মধুটিলা ইকোপার্কে রয়েছে পাহাড়চূড়ায় ওঠার সিঁড়ি, মনোরম লেক, বোটিং ব্যবস্থা, ওয়াচ টাওয়ার, স্টার ব্রিজ, শিশু পার্ক ও সুদৃশ্য বিশ্রামাগার। ঘন বন আর পাহাড়ি পরিবেশে হাঁটাহাঁটি কিংবা সূর্যাস্ত উপভোগের অভিজ্ঞতা এখানে আসা ভ্রমণপিপাসুদের দেয় ভিন্নরকম প্রশান্তি। এছাড়া উপজেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান পানিহাটা-তারানি পাহাড় এবং নাকুগাঁও স্থলবন্দরও ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের কাছে দারুণ আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।
মধুটিলা ইকোপার্কের ইজারাদার মজিবুর রহমান জানান, ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন কিছু স্থাপনা নির্মাণের পাশাপাশি সংস্কার কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ দেবে।
নালিতাবাড়ীর এই দর্শনীয় স্থানগুলোতে যাতায়াতের জন্য ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি শেরপুর হয়ে নালিতাবাড়ী আসার বাস পাওয়া যায়। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি কিংবা মাইক্রোবাসেও আসা যায় সহজেই। ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত এসে, সেখান থেকে সড়কপথে খুব অল্প সময়ে নালিতাবাড়ী পৌঁছানো যায়।
আপনার মতামত লিখুন :