জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়ার আভাস আজিজুর রহমান আজিজ
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে লড়ার আভাস আজিজুর রহমান আজিজ
______________________________
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্হানীয় নির্বাচন সংক্রান্ত বক্তব্যের পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছেন প্রার্থীরা।
এই নির্বাচনী ডামাডোলে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ত্যাগী ও
নির্যাতিত নেতা মো. আজিজুর রহমান আজিজ।
এদিকে জামালগঞ্জের সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাযায়,
রাজনৈতিক দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে আজিজুর রহমান আজিজের নাম,ভোটাররা বলছেন তিনি যদি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে আসেন তবে দলমত নির্বিশেষে জামালগঞ্জের মানুষ তাকেই বেচে নেবে,কারণ তিনি একটি নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক পরিবারের উত্তরসূরি।
তার পিতা মরহুম মনফর আলী ছিলেন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির একজন অন্যতম সদস্য পারিবারিক আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আজিজুর রহমান আজিজ ১৯৯০ সালে জামালগঞ্জ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে রাজনীতিতে পা রাখেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য (২০১০-২০১৫), দুই মেয়াদে উপজেলা বিএনপির সভাপতি (একাংশ) এবং ২০১৮ সাল পর্যন্ত সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ২নং স্বাক্ষর ক্ষমতা প্রাপ্ত যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন।
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আজিজুর রহমান আজিজ বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিক্রমায় পরে নানামুখী নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
তার জীবনবৃত্তান্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকায় বিভিন্ন ভাবে তার ও তার পরিবারকে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করে বাড়ি ছাড়া করে রাখা হয়।
২০১৮ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তাকে একাধিক মামলার আসামি করা হয়। শুধু তিনি নন, তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও (ভাই মো. ওয়াহিদুর রহমান ও মো. সাইদুর রহমান) একাধিক রাজনৈতিক মামলার শিকার হয়েছেন। তবুও হামলা-মামলা তাকে শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
জামালগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে,
কেন আলোচনায় আজিজুর রহমান আজিজ।
জামালগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে সরেজমিনে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা একজন সৎ, শিক্ষিত এবং জনগণের দুঃখ-সুখ বোঝার মতো প্রতিনিধি চান।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন,
বিগত ১৭ বছর আমরা আমাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারিনি। জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদকে দলীয় অফিস হিসেবে পরিণত করা হয়েছিল।
এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের আজিজুর রহমান আজিজ একজন পরীক্ষিত নেতা, যার পুরো পরিবার দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে। আমরা তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের গুরুত্ব বেড়ে যাওয়ায়,এখন স্হানীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনার হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে,উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আজিজুর রহমান আজিজ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন,দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা ভোটের বাহিরে ছিলাম জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে নেওয়া হয়েছিল,দীর্ঘ সংগ্রাম আন্দোলনের পর জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণে বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)র" ভূমিধস সংখ্যা গরিষ্ঠতার মাধ্যমে বিজয়ী সরকার গঠন করিয়েছেন এদেশের আপামর জনগণ।
এরই ধারাবাহিকতায় জামালগঞ্জ উপজেলার ভোটারদের কাছ থেকে তিনি আশানুরূপ প্রত্যাশা পাচ্ছেন ইতিমধ্যে ভোটারদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ করছেন এবং উপজেলাবাসী তাদের উপজেলায় একজন ভাল জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন,তার স্বচ্ছ ইমেজ এবং ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় এগিয়ে রাখছে এমনটিই বলছেন জামালগঞ্জবাসী।
জামালগঞ্জ উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ঘুরে ফিরে দেখা যায়,এই নেতার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতায় অনেকটাই ভাল অবস্থান রয়েছে।
জামালগঞ্জের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দলগত মূল্যায়নে এবং জনগণের সরাসরি ভোটে আজিজুর রহমান আজিজ নির্বাচিত হলে উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।
আপনার মতামত লিখুন :