প্রান্তিক সেবায় স্বচ্ছতা আনতে প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, বেঁধে দিলেন ৬০ দিনের আল্টিমেটাম


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:



বিশেষ সংবাদদাতা:

দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ কঠোর ও জরুরি নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সারা দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদকে (ইউপি) এই নতুন নির্দেশনা বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

​আজ (রবিবার) এক জরুরি বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। স্থানীয় সরকারের একদম প্রান্তিক পর্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই তড়িৎ পদক্ষেপ।

​প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যেসব বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে:

  • ​জনসেবায় স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল সেবা: জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ সব ধরণের মৌলিক সেবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। ডিজিটাল সেবা প্রদানে কোনো প্রকার বিলম্ব বা অযথা হয়রানি সহ্য করা হবে না।
  • ​দুর্নীতি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স: ভাতা (বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী), টিসিবি কার্ড এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাতোগীদের তালিকা পুরোপুরি স্বচ্ছ ও নির্ভুল হতে হবে। কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • ​পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামো তদারকি: স্থানীয় রাস্তাঘাট রক্ষণাবেক্ষণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে।
  • ​নিয়মিত গণশুনানি ও জবাবদিহিতা: স্থানীয় জনগণের সুবিধা-অসুবিধা সরাসরি শোনার জন্য প্রতি মাসে অন্তত একবার ইউপি কার্যালয়ে গণশুনানির আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

​সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে কি না তা তদারকি করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) নেতৃত্বে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হচ্ছে। নির্ধারিত ৬০ দিন পার হওয়ার পর প্রতিটি ইউনিয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

​প্রধানমন্ত্রীর এই কড়া পদক্ষেপের ফলে গ্রামপর্যায়ে সরকারি সেবার গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তি ছাড়াই দ্রুত সেবা পাবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ