খুলনা দৌলতপুর যুবদল নেতা মাহবুব হত্যায় আরো ও দুইজন গ্রেপ্তার
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু
ব্যুরো প্রধান খুলনাঃ
নগরীর দৌলতপুরের আলোচিত সাবেক যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান মোল্লা হত্যা মামলার সন্দিগ্ধ আসামি কাজী রায়হান ইসলাম এবং হাসিব মোল্লাকে গ্রেফতার করে পুলিশ, গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খুলনার দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দুটি টিম তাদের পার্শ্ববর্তী জেলা সাতক্ষীরা তালা উপজেলা থেকে আটক করেন।
এর আগে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে মোঃ সজল এবং আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে, সাগরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোন কিছু না পেয়ে পরবর্তীতে কারাগারে প্রেরণ করে, বর্তমানে সজল এবং আলাউদ্দিন মাহবুব হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছে।
কাজী রায়হান ইসলামকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মীর আতাহার আলী বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে রায়হানকে তালা উপজেলার মহিলা কলেজের পাশে একটি ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়, সিসি ফুটেজ থেকে সংগ্রহ করা যুবকের সাথে আটক হওয়া যুবকের মুখাবরণের মিল আছে কিনা প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমরা যে রায়হানকে আটক করেছি সে ওই ব্যক্তি কিনা তা জিজ্ঞাসা বাদে জানা যাবে, মাহবুব হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রায়হান এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়, তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার জন্য উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয় হয়, তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সকালে তালা মহিলা কলেজের পাশে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়, পরে তাকে নিয়ে পাইকগাছা উপজেলায় অভিযান চালানো হয়, তাকে নিয়ে পুলিশের একটি টিম খুলনার উদ্দেশ্য যাত্রা করেছে।
অপরদিকে এ মামলার খবর সন্দিগ্ধ আসামি আসিফ মোল্লা কে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম সাতক্ষীরার তালা থেকে আটক করে।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সিসি ফুটজে সংগ্রহকৃত ছবির সাথে আসিফ মোল্লার চেহারার যথেষ্ট মিল আছে, তবে তিনি সেই যুবক কিনা তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি, তাকে ডিবি কার্যালয়ে রেখে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত গত ১১ জুলাই দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে প্রাইভেটকার পরিষ্কার করছিলেন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মাহবুব মোল্লা, প্রতিবেশীকে সাহায্য করার কথা বললে তিনি ওই কাজে অংশ নেয়,এ সময়ে একটি মোটরসাইকেল জোগে তিনজন যুবক এসে মাহবুব মোল্লাকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি গুলি ছুড়তে থাকে, তাদের ছড়া গুলির দুটি একটি মাথায় এবং একটি মুখে বৃদ্ধ হয়ে গঠনস্থলে মাহবুবুর মোল্লা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য তার দুই পায়ের রগ কেটে দেয় সন্ত্রাসীরা, পরে তারা তেলিগাতী সীমান্ত পার হয়ে, হাইওয়ে রাস্তায় সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যায়, পরের দিন নিহতের পিতা বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন, এরপর পুলিশ ,হত্যাকাণ্ডে তথ্য সরবরাহের কাজে সাহায্য করার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করে।
আপনার মতামত লিখুন :