প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব!
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব!
___________________________________
বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো হিন্দু সম্প্রদায়ে র সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। শৈলকূপার কুমার নদীতে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। এসময় বিজয়া দশমির উৎসবের আমেজ উপভোগ করলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান।
বিজয়া দশমীর সকাল থেকেই ঢাক-ঢোল, উলুধ্বনি আর শঙ্খধ্বনিতে মুখর ছিল পরিবেশ।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি, কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
এর আগে বিহিত পূজা আর সিঁদুর খেলার আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমী। পূজার শেষ দিনে ভক্তদের মাঝে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। দেবীর চরণে প্রণাম করে তাঁকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলে সারা দিন ধরে।
সিঁদুর খেলার পর ভক্তরা দেবীর কাছে পরিবার ও সমাজের কল্যাণ কামনা করেন। সারাদেশে বিভিন্ন মণ্ডপে নারী ভক্তরা দশমী বিহিত পূজায় অংশ নেন এবং দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন।
সাধারণত এই অনুষ্ঠানে বিবাহিত নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর দান করেন এবং তা কৌটায় রেখে সারা বছর ব্যবহার করেন। এ সময় তারা একে অপরের কপাল ও চিবুকে দেবীর চরণ স্পর্শ করা সিঁদুর লাগিয়ে দেন।
শাস্ত্রীয় মতে, ২০২৫ সালে মা দুর্গা হাতির পিঠে চড়ে মর্ত্যে আগমন করেছেন এবং দোলায় চড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন। দেবীর আগমন হাতির পিঠে হলে তা অত্যন্ত শুভ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা বসুন্ধরাকে শস্য-শ্যামলা ও সমৃদ্ধ করে তোলে।
মোঃ আমোদ আলী,
শৈলকুপা, ঝিনাইদহ।
আপনার মতামত লিখুন :