দীনী শিক্ষা ও ইসলামী আকীদা রক্ষায় দায়িত্বশীলতার আহ্বান—রাউজানে কেএম আলমগীর মাসউদ দৃঢ় বার্তা
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
দীনী শিক্ষা ও ইসলামী আকীদা রক্ষায় দায়িত্বশীলতার আহ্বান—রাউজানে কেএম আলমগীর মাসউদ দৃঢ় বার্তা
_________________________
কান্দিপাড়া আরবীয়া ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ৬৫তম বার্ষিক সভা পরিণত হয় একটি বিশাল দীনী মিলনমেলায়। সকাল থেকে মাদ্রাসা ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা মুসলমানদের ঢল নামে। আলেম-ওলামা, ছাত্র, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হযরত মাওলানা কেএম আলমগীর মাসউদ আরব নগরী, মনোনীত প্রার্থী – চট্টগ্রাম–৬ (রাউজান) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মুসলমানদের ঈমানের কেন্দ্রীয় মূলনীতি খতমে নবুয়ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তাঁর জোরালো ও স্পষ্ট বক্তব্য পেশ করেন।তিনি বলেন—মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই শেষ নবী।
তাঁর পর আর কোনো নবী আসবেন না—এটাই মুসলমানদের ঈমানের ভিত্তি। এই আকীদা অটুট রাখার জন্য প্রয়োজন হলে জীবন ও রক্ত দিতেও প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন,
“বর্তমানে কিছু গোষ্ঠী ভুল ব্যাখ্যা, মনগড়া মতাদর্শ প্রচার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। খতমে নবুয়তের ওপর আঘাত আসা নতুন নয়; তবে মুসলিম সমাজকে একত্রিত হলে এ ধরনের ফিতনা প্রতিহত করা সম্ভব।
মাওলানা আলমগীর মাসউদ বলেন—
“আলেম-ওলামাদের দায়িত্ব সমাজে সত্য প্রচার করা। আমাদের সন্তানদের সঠিক আকীদা শেখাতে হবে। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে দীনী শিক্ষার প্রতি সচেতন হতে হবে।জেলা–উপজেলায় খতমে নবুয়ত সম্মেলনের আহ্বান বক্তব্যে তিনি সারাদেশে দীনী জাগরণ তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে বলেন—প্রতিটি জেলা, প্রতিটি উপজেলায় খতমে নবুয়ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে হবে।
মানুষকে জানাতে হবে—আমাদের ঈমানের মূলভিত্তি কী, আর তা রক্ষার জন্য মুসলমানদের দায়িত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তিনি উল্লেখ করেন,ভুল ব্যাখ্যামূলক কিছু গ্রন্থ বাজারে ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে এবং ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।ইসলামবিরোধী অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তিনি বলেন—যে কেউ রাসূল (সাঃ)এর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে, তাঁর শিক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়—তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। সমাজে বিভ্রান্তির জায়গা রাখা যাবে না। আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামকে বিকৃত হতে দেব না।
মোঃ আতিক উল্লাহ চৌধুরী,
রাউজান (চট্টগ্রাম):
আপনার মতামত লিখুন :