কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ারকে ঘিরে বিতর্ক — কার আশ্রয়ে এত বেপরোয়া?


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


বিশেষ  প্রতিনিধি:
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই দেলোয়ারকে ঘিরে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় ও সচেতন মহলের  মাঝে।

অভিযোগ রয়েছে, এসআই দেলোয়ার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় যোগদানের পর থেকেই   বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও নানা অভিযোগ ওঠার পরও বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি। এতে করে  সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে—এসআই দেলোয়ারের  অদৃশ্য শক্তি কে?  কোথায় তার অবস্থান। 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বিভিন্ন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ, সাধারণ মানুষকে হয়রানি এবং প্রভাবশালীদের সঙ্গে সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে।তবে রহস্যজনক কারণে  তিনি থেকে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন,  চলতি মাসের ০৯/০৫/২০২৬ইং তারিখ রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বরিশুর ঘাট এলাকা হতে চিন্হিত মাদক ব্যাবসায়ী রতন ও তার এক সহযোগী অজ্ঞাত পরিচয়ের তাদেরকে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক করে এবং নগদ অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে ছেড়ে দেয়।  যেখানে মাদককে জিরো টোলারেন্স করার জন্য সরকার, প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী ও সমাজের সচেতন নাগরিক নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে, সেখানে প্রশাসনের গুটি কয়েক ব্যাক্তির এরকম স্বজন প্রীতি ও দূর্নীতির কারনে তাদের পরিশ্রম বিফলে যাচ্ছে এবং প্রশাসনের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো অভিযোগের পরও কেন কোনো দৃশ্যমান তদন্ত বা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

সম্প্রতি  সুমন নামের এক ব্যাক্তি থানায় অভিযোগ দেয়ার পরে বিবাদী পক্ষের সাথে মিমাংসা করে দিবে বলে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নেয়,  এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাদী সুমনকে ডেকে আবার টাকা ফেরৎ দিয়ে দেয়।
কিন্তু বাদীর অভিযোগের কেনো সমাধান করে দেয় নাই। 

 এসআই দেলোয়ার হোসেন এর বিরুদ্ধে এর আগেও কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় ঘুষ বানিজ্যের জন্য পত্রিকার শিরোনামে আসে।

এসআই দেলোয়ারের এরকম কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী, সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল 
খুবই ক্ষুব্ধ। 

তবে এ বিষয়ে এসআই দেলোয়ারের বক্তব্য নেয়ার জন্য  মুঠোফোনে ফোন দিলে তার ব্যবহৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। 
সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগ সত্য হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ