ইয়াবা সিন্ডিকেটে নতুন নেতৃত্বের অভিযোগ; ডাকাত শাহীন গ্রেপ্তারের পর সাইফুলকে ঘিরে তদন্তের দাবি


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


লোকমান ইসলাম রানা, কক্সবাজার:
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় ইয়াবা কারবারকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি কথিত সিন্ডিকেট। স্থানীয়দের অভিযোগ, আলোচিত ডাকাত শাহীন গ্রেপ্তারের পর তার ভাই সাইফুল সীমান্ত এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা ও পাচারচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যদিও অভিযুক্ত সাইফুল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অনেক ইয়াবা কারবারি গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের মধ্যে সাইফুল অন্যতম এবং সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় একটি চক্রের মাধ্যমে ইয়াবা পাচার ও লেনদেন অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, কয়েক বছর আগেও ছোট পরিসরে ব্যবসা করা সাইফুল বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। গর্জনিয়া ও ঈদগাঁও এলাকায় নামে-বেনামে জমি কেনা, বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ এবং সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ ও সম্পদের উৎস স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও দাবি, আলোচিত ডাকাত শাহীন গ্রেপ্তারের পর সীমান্তকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সাইফুলের হাতে চলে যায়। তাদের অভিযোগ, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার এবং অবৈধ লেনদেন এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাইফুল বলেন, "আমি ব্যবসা করি।" তবে তিনি কী ধরনের ব্যবসা করেন বা সম্পদের উৎস কী—সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঈদগাঁও এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বহুল আলোচিত।
এ ব্যাপারে রামু থানা ও ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তারা জানান, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা সরাসরি মাদক ব্যবসা কিংবা এ ধরনের অপরাধে সহযোগিতা করছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে। সরকার মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং প্রমাণ সাপেক্ষে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সচেতন মহলের মতে, সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারে জড়িতদের সম্পদের উৎস অনুসন্ধান, আর্থিক লেনদেন তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত অভিযান জোরদার করা জরুরি। তাদের মতে, এতে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় ইয়াবা কারবার ও পাচারচক্রকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আলোচিত ডাকাত শাহীন গ্রেপ্তারের পর তার ভাই সাইফুল সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসা ও পাচারচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাইফুল।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক মাদকবিরোধী অভিযানে অনেক ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের কারবারি গ্রেপ্তার হলেও প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাইফুল তাদের একজন। সীমান্তপথে সক্রিয় একটি চক্রের মাধ্যমে ইয়াবা পাচার, সরবরাহ ও আর্থিক লেনদেন চলছে বলেও দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েক বছর আগেও সীমিত পরিসরে ব্যবসা করা সাইফুলের সম্পদ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। গর্জনিয়া ও ঈদগাঁও এলাকায় নামে-বেনামে জমি কেনা, বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ এবং হঠাৎ আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগ ও সম্পদের উৎস স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, ডাকাত শাহীন গ্রেপ্তারের পর সীমান্তকেন্দ্রিক ইয়াবা সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব সাইফুলের হাতে যায়। তাদের ভাষ্য, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার এবং অবৈধ লেনদেন এখনো অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত সাইফুল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি ব্যবসা করি।" তবে তিনি কী ধরনের ব্যবসা করেন বা সম্পদের উৎস কী—সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঈদগাঁও এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের এবং বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বহুল আলোচিত। তার দাবি, এ নিয়ে একাধিকবার মৌখিক অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে রামু থানা ও ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তারা জানান, মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা সরাসরি মাদক ব্যবসা বা এ ধরনের অপরাধে সহযোগিতা করছে, তাদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পুলিশ বলছে, প্রমাণ সাপেক্ষে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সচেতন মহলের মতে, সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারে জড়িতদের সম্পদের উৎস, আর্থিক লেনদেন এবং যোগাযোগ নেটওয়ার্ক নিয়ে পৃথক তদন্ত জরুরি। তাদের মতে, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত অভিযান জোরদার করা গেলে পাচারচক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করা সহজ হবে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ