খুলনায় আনা ৪ মন,৩০ কেজি মরা গরুর মাংস জব্দ গ্রেপ্তার ২
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু
ব্যূরো প্রধান খুলনাঃ
খুলনায় বিক্রি উদ্দেশ্য আনা ৪ মন ৩০ কেজি মরা গরুর মাংস সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকাল সাড়ে,৮ দিকে তাদের সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধধীন গল্লামারী এম এ বারী সড়কে ওয়ালটন শোরুমের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়,এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি পিকআপ ও জব্দ করে পুলিশ, এ ঘটনায় সোনাডাঙ্গা থানায় খাদ্য নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে,
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, ঝিনাইদাহ জেলার মহেশপুর উপজেলার নিকারীপাড়া জলিলপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল লতিফের ছেলে মোঃ মমিন এবং সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন আলীর ক্লাব সংলগ্ন আল-আমিন মহল্লার বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার এর ছেলে তামিম হাওলাদার,
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মিজানুর রহমান বলেন, এ এস আই মোহাম্মদ আলিম হোসেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানা দিন গল্লামারী এম এ বারী সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছিলেন, সকাল সাড়ে ৮ দিকে একটি পিকআপ যার নং ন-১১-১২৯০ বারী সড়কে প্রদেশ করলে তার মনে খটকা লাগে, এ সময় পিক আপ থামিয়ে মোঃ মুমিনকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় গাড়িতে গরুর মাংস রয়েছে,৪ মন ৩০ কেজি পরিমাণ মাংস পলিথিনের উপর অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পড়ে রয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তার সন্দেহ আরো ও ঘনীভূত হয়, এ সময় তিনি মুমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায় সোনাডাঙ্গা থানাধীন আল আমিন এলাকার বাসিন্দা তামিমের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাংস চুয়াডাঙ্গা থেকে আনা হয়েছে,
তিনি আরো বলেন,এরপর ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয় তামিমকে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ এর একপর্যায়ে মাংসের প্রকৃত মালিকের নাম ও ঠিকানা পুলিশের কাছে জানায় সে, পুলিশ মাংসের প্রকৃত মালিক চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার সাহারেজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে,এ সময় তিনি পুলিশকে জানাই বুধবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় গরুটি স্টক করলে জবাই করা হয় এবং ৬৩ হাজার টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করা হয় রাত ৩ টার দিকে গরুর মাংস পিকআপে করে খুলনায় এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়,
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উল্লেখিত আসামিরা বিভিন্ন জায়গা থেকে রোগান্ত এবং মৃত গরুর মাংস সংগ্রহ করে খুলনা মহানগরের বিভিন্ন হোটেলের সরবরাহ করে থাকে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে খাদ্য নিরাপত্তা আইনের ২০২৩ সালের ৫৮,তাফসীলে ক্রমিক নং,২৫ এর ৩৪ ধারায় থানায় মামলা হয়েছে, জব্দ হওয়া মাংস হতে পরীক্ষার জন্য ১ কেজি রাখা হয়েছে, বাকি অংশটুকু আদালতের নির্দেশে ধ্বংস করা হবে বলে তিনি জানান,
আপনার মতামত লিখুন :