ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: নির্বাহী প্রকৌশলীকে ঘিরে বিতর্ক


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

​ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, আর্থিক অসঙ্গতি ও স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আজহারুল হক।

​প্রকল্পের অর্থ ও কাজের অসঙ্গতি

​সূত্র ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, শহরের শাহাবুদ্দিন অডিটোরিয়ামের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজে প্রায় ৮০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় ধরা হলেও বাস্তবে কাজের গুণগত মান ও অগ্রগতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বরাদ্দের তুলনায় মাঠপর্যায়ে কাজের পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য বলে দাবি করা হচ্ছে।

​অন্যদিকে, শম্ভুগঞ্জ এলাকার একটি বাজারে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপনা নির্মাণ প্রকল্প ঘিরেও উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়ভাবে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে যে, এই কাজটি পাইয়ে দিতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করা হয়েছিল।

​যোগসাজশ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

​প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে যে, অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্পে অতিরিক্ত বিল উত্তোলন এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের মতো ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক এক পলাতক ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে একাধিক প্রকল্পে কাজ সম্পন্ন না করেই কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

​উল্লেখ্য যে, দেশের বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে অতীতেও ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর যোগসাজশে এমন অনিয়মের নজির পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীকালে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়েছিল।

​প্রশাসনের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা

​শম্ভুগঞ্জের আলোচিত প্রকল্পে অনিয়মের খবর পেয়ে সিটি প্রশাসক সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন তদারকি অব্যাহত থাকলে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে।

​সচেতন মহলের বক্তব্য ও দাবি

​সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে জবাবদিহিতার অভাব থাকায় অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তারা মনে করেন, সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষ উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।

​এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পরিবর্তনসমূহ:

  • শিরোনাম: আরও জোরালো এবং নিউজ স্ট্যান্ডার্ড করা হয়েছে।
  • বাক্য গঠন: দীর্ঘ বাক্যগুলোকে ভেঙে সহজবোধ্য করা হয়েছে।
  • পেশাদারিত্ব: ‘পলাতক ঠিকাদার লিটন’ নামটির বদলে ‘জনৈক পলাতক ঠিকাদার’ বা শুধু পদবি ব্যবহার করা বেশি নিরাপদ, তবে আপনার তথ্যের সত্যতা থাকলে বর্তমান ফরম্যাটটি ঠিক আছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ