সাতক্ষীরা রেঞ্জে দালাল চক্র সক্রিয় সুন্দরবনে নৌকা পাঠিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম সজাগ অবস্থানে বন বিভাগ।


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

এম মনিরুল ইসলাম 
স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরাঃ

খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের সীমারেখায় চারটি প্রধান রেঞ্জ কার্যালয় অবস্থিত। চলমান অনবরত সেবা দিয়ে চলেছে। তার মধ্যে অন্যতম সাতক্ষীরা প্রধান রেঞ্জ কার্যালয়।

অনুসন্ধান পূর্বক রহস্য উদঘাটনে প্রকাশ, বনবিভাগ নীতিমালা অনুযায়ী বিগত দিন হতে দুই মাস কাকড়া ধরার পারমিশন নিষিদ্ধ রয়েছে।সাদা মাছ অথবা অন্যান্য বৈধ,রাজস্ব দিয়ে অনুমতি পত্র সংগ্রহ পূর্বক,সুন্দরবন গভীরে প্রবেশ করে,সাদা মাছ ধরা অজুহাতে চুক্তিভিত্তিক কাকড়া শিকার বিষ দিয়ে মৎস নিধন হরিণ শিকার সহ মূল্যবান বৃক্ষ সম্পদ পাচার কর্মকাণ্ডে জড়িত।

প্রধান কার্যালয়ের আশেপাশের স্থানীয় সুধী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাত চরম দুর্নীতিগ্রস্ত,বর্তমানে সেটি সংস্কার হতে চলেছে।

স্থানীয় অনেকেই বলেন,আগে যে নদীতে কাকড়া ধরতে যেত।সে এখন কোম্পানি হয়েছে।তার অধীনে ২০ থেকে ৩০ টি নৌকা পাস পার্মিশন হয়ে থাকে।তিনি দেখভাল করে থাকেন।সম্প্রতি বরফের বাক্স হতে বন্দুক উদ্ধার,একটি ঘৃন্যতম কর্মকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে।

অনেকগুলো পত্র-পত্রিকায় সঙ্গে সঙ্গে উক্ত সংবাদটি পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হয়েছে। সুন্দরবনে নতুন করে জলদস্যু? এই জলদস্যু কারা?হাতে গোনা কয়েকজন ব্যক্তি গোপনে বন বিভাগের, 

মান্দারবাড়ি হলদিবুনি পাঠকোস্টা পুষ্প কাটি লতাবেড় মেঘনা বেয়ালা কয়লা তালপাটি কঞ্চি কাকা শাখা অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অভয়ারণ্য এলাকায়, যাবতীয় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বিশেষ করে বিশ্বের অহংকার মমতার হরিণ শিকার চরম দণ্ডনীয় অপরাধ।

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে রেঞ্জ প্রধান কার্যালয় অবস্থিত হওয়ায়।কর্মকর্তাগণ এলাকার স্থানীয় অসহায় হতদরিদ্র নিম্নবিত্তদের জন্য যথেষ্ট উদার।স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান সহ সিপিজি (ক্রাইম পেট্রোল টিম)অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য সুন্দরবনের গভীরে অজান্তে এই দালাল চক্র কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে যাবতীয় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে।বর্তমানে সুন্দরবনে স্মার্ট টিম ও বন বিভাগের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।কয়েকদিন পূর্বে দুইজন আসামি কোর্ট হাজতে চালান হয়েছে।

উপজেলার শিক্ষিত সুধী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আবেদন জানিয়েছেন, দালাল মুক্ত কার্যালয় স্টেশন কার্যালয়। তদন্তপূর্বক সুন্দরবনের গভীরে যে কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ