ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

ধর্ষণ, হত্যা ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন
_______________________________


রামপুরা, নরসিংদী, গাইবান্ধা, সীতাকুণ্ড ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এসব ঘটনার দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী মহিলা বিভাগ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মহানগরী মহিলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে ফরিদা খানম বলেন, গত বছরও রমজান মাসে শিশু আছিয়া হত্যার প্রতিবাদে আমরা রাজপথে নেমেছিলাম। নির্বাচিত সরকারের অধীনে নারী ও শিশুরা অধিক নিরাপদ হবে—এমন প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরবতা ও দলীয় ছত্রছায়ায় অপরাধ, জুলুম ও নারী নিপীড়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি বলেন, রামপুরা, নরসিংদী, গাইবান্ধা, সীতাকুণ্ড ও ভোলাসহ বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে; কেউ কেউ প্রাণও হারিয়েছে। প্রশাসন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে এবং বিচার নিশ্চিত হলে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতো না।

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের মহিলা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা উম্মে কানিজ জাহানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগরী অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আয়েশা পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদিকা উম্মে ফাতেমা, সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ফারজানা পারভীন, চাকসুর ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদিকা নাহিমা আকতার দীপা ও শিশু বক্তা সামারা বিনতে নোমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য খুরশিদ জাহান, শাহেদা মতিন, জয়নাব বেগম নাহিদ, রোকেয়া বেগম চৌধুরী প্রমুখ।মানববন্ধন থেকে সরকারের কাছে ১২ দফা দাবি জানানো হয়। 

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করা; বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা বন্ধ করা; নিরপেক্ষ তদন্ত ও স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া চালু করা; প্রতিটি মা-বোন ও শিশুর নিরাপত্তায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা; দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা; অপরাধীদের গডফাদারদের বিচারের আওতায় আনা; মামলা নিতে গড়িমসি করা পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা; শিশু নিরাপত্তা ও ধর্ষণ প্রতিরোধে রাষ্ট্রের কার্যকর ও ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করা; ভুক্তভোগীকে হয়রানি বা অপদস্থ করার সংস্কৃতি পরিহার করে তার পাশে দাঁড়িয়ে বিচার নিশ্চিত করা এবং বিচারের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা।


এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ