খুলনা সিটি মেয়র খালেকের ঘনিষ্ঠজন এ্যানীর বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড়।
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু ব্যূরো প্রধান খুলনা।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কে সিসির) সাবেক মেয়র পলাতক তালুকদার আব্দুল খালেকের ঘনিষ্ঠজন সহকারি কনজারভেটিভ অফিসার নুরুন্নাহার এ্যানির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার দুর্নীতি ও অনিয়মের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী নুরুন্নাহার এ্যানীর বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে চাকুরী লাভ মশক নিধনের ওষুধ পাচারের অভিযোগ রয়েছে, ইতিমধ্যে তাকে এসব অভিযোগে চাকুরী থেকে সামরিক বরখাস্ত করা হয়েছে,
সিটি কর্পোরেশন সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ ,সাবেক মেয়র তালুকদার খালেকের সময়ে এ্যানি ছিল অপ্রতিরোধ্য তুচ্ছ ঘটনায় তিনি কর্মচারী কর্মকর্তাদের নাজেহাল করতেন, প্রভাব খাটিয়ে লোক নিয়োগ সহ নানা অপকর্ম ছিল ওপেন সিক্রেট,
(কেসিসির) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লস্কর তাজুল ইসলাম বলেন, নানা অভিযোগে চাকুরী থেকে নূর নাহার এ্যানিকে সামরিক বরখাস্ত হয়েছে, ইতিমধ্য ব্যক্তিগত শুনানি শেষ হয়েছে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি, গত ৫ মাস
(কেসিসির) সচিব শরিফ আসিফ রহমান এ কমিটি গঠন করেন, কেসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহানকে আহবায়ক কনজারভেশন অফিসার মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানকে সদস্য সচিব ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশিদকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়, এক সংক্রান্ত এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয় কেসিসির বরখাস্তকূত সহকারি কনজারভেটিভ অফিসার নুরুন্নাহার এ্যানীর বিরুদ্ধে
অতীত ৩/২৪,নং বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়, তবে কতদিন নাগাদ কমিটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করবেন তা উল্লেখ করেননি,
বিভাগীয় মামলায় উল্লেখ করা হয়, রেশমা খাতুন গং ২০২৪ সালের গত ৭ আগস্ট অভিযোগে জানানো হয়, তারা খুলনা সিটি কর্পোরেশনে আউট সৌসিং এ বিভিন্ন কাজে শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত, এ্যানী বিভিন্ন সময়ে তাদের অনেকে কাছ থেকে মাস্টাররোল এ চাকুরী দেওয়ার কথা বলে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নিয়ে আউটসোসিং এ চাকরি দিয়েছেন, আউটসোর্সিং এ চাকুরী দিলেও তাদের ৩০ দিনের কাজ করিয়ে, ১৫/২০ দিনের হাজিরা দেন,
যার কারনে তারা যে পারিশ্রমিক পান,তা দিয়ে তাদের সংসার নির্বাহ করা সম্ভব হয় না, এছাড়া এ্যানী সাবেক মেয়রকে বলে তাদের বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি, বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে একাধিকবার তাগিদ প্রদান করলে এ্যানি তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের হুমকি দেন, এছাড়া তাদের পারিশ্রমিক নিয়েও টাল বাহানা করে,
সিটি কর্পোরেশনের এ্যানি কে দেওয়া এক চিঠিতে জানায়, আপনি সব নিধনের যন্ত্রপাতি তেল মালামাল রুমে তালাবদ্ধ রেখে অননুমোদিতভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার ফলে কজ্ঞারভেসী সাকার কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে,
হলে বাধ্য হয়ে আপনার দায়িত্ব প্রাপ্ত স্থানে রুমের তালা ভেঙ্গে কঞ্জার ভেঞ্চি অফিসার পদে চাকুরী পাওয়ার আবেদন প্যারা মেডিকেল ডিপ্লোমা স্নাতক সহ ৫ বছরের অভিজ্ঞতা নেই, এছাড়া একই আবেদনের মর্জিনে আপনার চাহিত অভিজ্ঞতা নেই মর্মে দেখা যায়, আপনি ২০০৩ সালে এস এস সি পাস করেন, এবং ২০০৪ সালে এইচ এস সি পাশ করেন, এতে প্রমাণ করে আপনি ভুয়া সনদপত্র দাখিল করে চাকরিতে যোগদান করেন, আপনার এহেন অপরাধ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) চাকুরী বিধিমালা ১৯৯৩,এর ৩৮(,ক),(খ,এবং (ঙ), ধারায় বর্ণিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদা চরণ পলায়ন এবং দুর্নীতি পরায়ণের সামিল,
আপনার এহেন কর্মকান্ডের জন্য কি কি পক্ষ আপনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছেন, সেহেতু আপনি নুর নাহার এ্যানি, পিতা শেখ নুরুল ইসলাম, সহকারি কনজার্ভেশন অফিসার, এর বিরুদ্ধে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) চাকুরী বিধিমালা ১৯৯৩ এর ৩৮ (ক )(খ )এবং (ঙ) ধারায় বর্ণিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা অসদাচরণ ও দুর্নীতির অপরাধে অভিযোগ আনায়ন করা হলো,
আপনার মতামত লিখুন :