শাল্লায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ: মূলহোতা গ্রেফতার, পলাতক ১


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


মো. ফখরুল ইসলাম,শাল্লা,সুনামগঞ্জ :

​সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ১১ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর সেই দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করার মতো একটি লোমহর্ষক ও পৈশাচিক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সোফাইল মিয়া (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে শাল্লা থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সোফাইল উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে।

​শনিবার (১১ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে শাল্লা থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া (২০), যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ ও সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে। সে বর্তমানে পলাতক।

​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়ির পেছনে হাঁস খুঁজতে বের হলে সোফায়েল মিয়া তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে। পরে গলায় কাঁচি ধরে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এ সময় সোফায়েলের সহযোগী সায়েক মিয়া পাশবিক নির্যাতনের দৃশ্যটি মুঠোফোনের ক্যামেরায় ধারণ করে। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এবং কিশোরীকে সপরিবারে প্রাণনাশের হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।

​হুমকির মুখে কিশোরী বিষয়টি গোপন রাখলেও, ঘটনার এক মাস পর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার চরম অবনতি লক্ষ্য করে পরিবারের সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কিশোরী কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতনের বর্ণনা দেয়। এরপরই কিশোরীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকিবুজ্জামান জানান, "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি এবং মূল অভিযুক্ত সোফায়েল মিয়াকে গ্রেফতার করেছি। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-০৮)। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আজ সকালে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

​এলাকাবাসী এই বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ