পটিয়া হাইওয়ে ক্রসিং পুলিশের অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক শ্রমিক


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

পটিয়া হাইওয়ে ক্রসিং পুলিশের অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজি অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক শ্রমিক 
___________________________________



পটিয়ায়  হাইওয়ে ক্রসিং  পুলিশ প্রতিদিন চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখার নামে ছোটখাট পরিবহন থেকে গণহারে চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।  পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার  সার্জেন্ট  আরাফাতের নেতৃত্বে হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম মামলা ভয় দেখিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করে আসছে। চাঁদা না পেলে ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন অযুহাতে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পরিবহন মালিক  শ্রমিকদের।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের চকরিয়া, পেকুয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, কর্ণফুলী, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার গ্রাম সিএনজিগুলো মইজ্যার টেক সিএনজি গ্যাস পাম্পে গ্যাসের জন্য আসলে আনোয়ারা চাতুরী চৌমুহনীতে ট্রাফিক পুলিশ,  মইজ্যারটেক ট্রাফিক পুলিশ  ও হাইওয়ে পুলিশের নামে প্রতিমাসে অবৈধ পরিবহন থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মসোহারা উঠে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানায়। পটিয়া পৌর সদরের সিএনজি চালক মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার  জানান, হাইওয়ে পুলিশের নামে আমাদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ৫০০/৬০০ টাকা মাসোহারা নিয়ে যান এক ব্যক্তি। টাকা না দিলে নাকি গাড়ি রোড়ে চলতে দিবে না। সম্প্রতি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহীর কাছ থেকে চাঁদা না পেয়ে স্প্রীটে গাড়ি চালানোর অভিযোগে হয়রানিমূলক মামলা দেন। 

গত বুধবার পটিয়া বাইপাস সড়কের পাশে গিরি চৌধুরী বাজার এলাকায় সকাল সাড়ে ৯টায় মো. লোকমান পাপ্পুর একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে একটি মামলা দেন।মামলায় কোন কাগজ পত্র না দিলেও বিকাশে টাকা দেয়ার সাথে সাথে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। এ বিষয়ে গাড়ি চালক মোহাম্মদ লোকমান জানান, হাইওয়ে পুলিশের লোকজন সার্জেন্ট  আরাফাতের নেতৃত্বে গাড়ি থামিয়ে গণহাওে নগদ টাকা চাঁদা নেন, যারা চাঁদা দেয়নি তাদের গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেন,মামলা দিলেও মামলা কোন কাগজ পত্র দেয়নি। বিকাশে টাকা দিলে মামলা থেকে সাথে সাথে অব্যাহতি এটা এক ধরণের চাঁদাবাজি। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক  হারুনুর রশীদ জানান, হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ পরিবহন শ্রমিকদের জিম্মি করে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করতেছে, চাঁদা না পেলে বিভিন্নভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করার হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। হাইওয়ে পলিশের চাঁদা বন্ধ না হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পরিবহন শ্রমিকরা প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে তিনি জানান। 

এ বিষয়ে পটিয়া ক্রসিং সার্জেন্ট  
ওয়াসিম আরাফাত জানান, যতটা গাড়িকে মামলা দেয়া হচ্ছে প্রতিটি গাড়ির ড্রাইভারকে মামলার স্লিপ দেয়া হচ্ছে, যদি কউ মামলা হওয়ার সাথে সাথে স্টপে নগদ টাকা দিয়ে তাকে স্লিপ দেয়া হচ্ছে না। একজন গাড়ি চালকদের সুবিধা দিতে সেবা অংশ হিসেবে মামলা হওয়ার পর যে কোন এলাকা থেকে বিকাশ নগদসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ করার সযোগ রয়েছে সেখানে আমাকে টাকা দিলে জরিমানার টাকা মওকুফ বিষয়টি সঠিক না যারা এ সর্ম্পকে জানে না তারা এসব বলছে, আমি আসার পর সড়কে নিয়ম ফিরিয়ে আনতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি, আমি শুধু দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি সেখানে হয়তো আমার বিরুদ্ধে কোন দোষ খুঁজে না পেয়ে কোনভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেন।


Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ