ময়মনসিংহ হেলথ কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে চাঁদা দাবি ও মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগ


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৬ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ সেলিম সাজ্জাদ  
স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ:



ময়মনসিংহ শহরের হেলথ কেয়ার (প্রা:) হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রঞ্জয় নন্দী এক লিখিত অভিযোগে পরিকল্পিত চাঁদাবাজি, অপপ্রচার ও মানহানিমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে হাসপাতালে এসে নানা অজুহাতে হয়রানি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অভিযোগে বলা হয়, রেজাউল করিম রেজা নামে এক ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে হাসপাতালের ক্লিনিকে আসেন এবং সঙ্গে ছিলেন কবির, ফাহাদ ও লিটন নামীয় আরও কয়েকজন। তারা অভিযোগ করেন, “রোজিনা” নামে এক রোগীকে খারাপ আচরণ করে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

রঞ্জয় নন্দী দাবি করেন, রোগীর স্বজনদের একজন শিশু চিকিৎসকের পরামর্শে রোগীকে ভর্তি করানো হয়। পরে গাইনী সার্জনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার নির্দেশ দেওয়া হলে রোগীপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজেরাই রোগীকে সরিয়ে নেন। ফলে চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি।

এরপর ওই সাংবাদিক পরিচয়ধারীরা ক্লিনিকে এসে উত্তেজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন এবং থানায় মিথ্যা অভিযোগ করার হুমকি দেন। হাসপাতালের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, রেজা ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দাবি করে বলেন, টাকা দিলে ‘সমস্যা মিটে যাবে’, না হলে ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধ্বংস করা হবে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, “কামাল” ও “মফিদুল আলম লাভলু” নামে ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ক্লিনিকের সাইনবোর্ডের ছবি ও ভুয়া তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, তাদের কাছে পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য রয়েছে। ক্লিনিকের চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

এদিকে একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বলছি, এখন পর্যন্ত ঘটনার নিরপেক্ষ অনুসন্ধানে চাঁদাবাজির কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে যদি সত্যিই নিরপেক্ষ ও সুস্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে সাংবাদিক পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন—তাহলে একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং অপসাংবাদিকতা বা হয়রানিমূলক চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ