চট্টগ্রামের আনোয়ারায় তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে সার উৎপাদনে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ দুটি সার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তৃতীয়টি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ডিএপিএফসিএল মূলত ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য পার্শ্ববর্তী কারখানা সিইউএফএল ও কাফকো থেকে সরবরাহকৃত অ্যামোনিয়ার ওপর নির্ভরশীল।
"আমাদের কারখানায় আবাসিক এলাকার মতো সামান্য গ্যাস হলেই চলে। কিন্তু মূল সমস্যা হলো অ্যামোনিয়া। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সিইউএফএল ও কাফকো চালু না হলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে এবং আমাদের উৎপাদনও পুরোপুরি থেমে যাবে।"
— মোহাম্মদ মঈনুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিএপিএফসিএল।
|
বিষয় |
বিবরণ |
|---|---|
|
উৎপাদন ইউনিট |
ডিএপি-১ ও ডিএপি-২ (আনোয়ারা, রাঙ্গাদিয়া) |
|
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা |
৮০০ টন (বর্তমানে হচ্ছে ৬০০-৭০০ টন) |
|
বাণিজ্যিক যাত্রা |
২০০৬ সাল থেকে |
|
বিদ্যমান সমস্যা |
যন্ত্রপাতির মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থা, জনবল সংকট ও কাঁচামাল অভাব। 🌤️ আশার আলো: ঘোড়াশাল-পলাশ কারখানায় উৎপাদন শুরুএকদিকে চট্টগ্রামের সংকটের মধ্যেই নরসিংদীর ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানায় দীর্ঘ ২৭ দিন পর উৎপাদন শুরু হয়েছে।
দেশের কৃষি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সার কারখানাগুলো দ্রুত সচল করতে না পারলে সারের সরবরাহ চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের কারখানাগুলোর জন্য দ্রুত গ্যাস ও অ্যামোনিয়া নিশ্চিত করা জরুরি |
আপনার মতামত লিখুন :