আলমগীর হোসেন রাজা চৌধুরী ক্রাইম ডিপার্টমেন্ট প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর :
চার অংশীদারের যৌথ উদ্যোগ ও প্রতারণার শুরু...
২০২৪ সালের শুরুতে পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় “এভারগ্রীন হসপিটাল অ্যান্ড গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার” প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন চারজন অংশীদার। তারা হলেন— এম. এ. গফুর, মনোয়ার হোসেন, সাইফুল ইসলাম এবং আরিফুল ইসলাম। চুক্তি অনুযায়ী, আরিফুল ইসলাম তার ২৫% শেয়ারের বিপরীতে ধাপে ধাপে ১০ লক্ষ টাকা এম. এ. গফুরের কাছে হস্তান্তর করেন।
টাকা আত্মসাৎ ও একক নিয়ন্ত্রণ:
টাকা নেওয়ার পর থেকেই এম. এ. গফুরের আচরণে পরিবর্তন আসে। অংশীদারদের অগোচরে ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে তিনি হাসপাতালের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নিজের নামে কিস্তিতে ক্রয় করেন এবং কোনো আর্থিক হিসাব দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে কোনো বৈধ দালিলিক বিনিয়োগ না থাকা সত্ত্বেও গফুর নিজেকে প্রতিষ্ঠানের 'চেয়ারম্যান' এবং তার ছেলে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে 'ব্যবস্থাপনা পরিচালক' (এমডি) হিসেবে ঘোষণা করে হাসপাতালের একক নিয়ন্ত্রণ নেন।
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও অংশীদারদের হুমকি:
বিনিয়োগের লভ্যাংশ বা মূল টাকা ফেরত চাইলে এম. এ. গফুর অংশীদারদের সাথে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং তাদের হোয়াটসঅ্যাপ ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ব্লক করে দেন। পাওনা টাকার জন্য চাপ দিলে গফুর ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী অংশীদার আরিফুল ইসলাম। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অন্য অংশীদার মনোয়ার হোসেন ইতিমধ্যে এম. এ. গফুরের বিরুদ্ধে আদালতে একটি জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগীরা বর্তমানে এই হাসপাতালের একক দখলদারিত্ব থেকে এম. এ. গফুরকে অপসারণ এবং তাদের অর্থ উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
পরবর্তীতে আসছে দ্বিতীয় পাঠ...
আপনার মতামত লিখুন :