নৃত্যের জ্যোতি ছড়াচ্ছে দিপুমনি দিরাইয়ের সংস্কৃতিচর্চায় এক অনন্য আলো


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

পাবেল হাসান
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ



সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই—a city of culture, literature, and music—now beams brighter with the rhythmic brilliance of এক তরুণী নৃত্যশিল্পী, দিপুমনি দাস। কালনী নদীর তীরে অবস্থিত এই ছোট্ট শহরে যখন দিন দিন মলিন হতে বসেছিল সাংস্কৃতিক চর্চা, তখনই নিজের মেধা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন ২০ বছর বয়সী এই নৃত্যশিক্ষিকা।

দিপুমনি দাস বর্তমানে দিরাই সরকারি কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছেন। তার পৈতৃক বাড়ি জাহানপুর গ্রামে হলেও বেড়ে উঠেছেন পৌরসভার হারনপুরে। পিতা রতীশ চন্দ্র দাস একজন সরকারি কৃষি কর্মকর্তা। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি ছিল দিপুমনির এক অদম্য আকর্ষণ। গ্রামীণ নানা অনুষ্ঠান, উৎসব বা স্কুলের মঞ্চ—সবখানেই নিজেকে মেলে ধরতেন নাচের মধ্য দিয়ে। সেই ভালোবাসার পেশায় রূপ দিয়েছেন তিনি, গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের নৃত্যাঙ্গণ একাডেমি। 

দিপুমনির নিবেদনেই গড়ে উঠেছে “ নৃত্যাঙ্গন একাডেমি” যার অবস্থান  দিরাই পৌরসভার  হারানপুর,শাল্লা ব্রিজ সংলগ্ন।

এখানে বর্তমানে ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত নৃত্যচর্চা করে। প্রতি শুক্রবার হয় সাপ্তাহিক ক্লাস, আর বিশেষ অনুষ্ঠানের আগে নেয়া হয় বাড়তি প্রশিক্ষণ। 

প্রতিমাসে প্রতিটি শিক্ষার্থী মাত্র ৫০০ টাকা ফি দিয়ে এই চর্চায় অংশ নেয়। নাচ শেখার এই সুযোগ এখন দিরাইয়ের জন্য আশীর্বাদতুল্য।
শিশুদের হাতে তুলে দিচ্ছেন শিল্পের আলোকশিখা

দিপুমনির শিক্ষাদান শুধু নৃত্যের সীমায় আবদ্ধ নয়, বরং তিনি শিশুদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সৌন্দর্যবোধ ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দিচ্ছেন। অভিভাবকরা বলছেন, তাঁর মতো নিষ্ঠাবান ও ভালোবাসায় পূর্ণ নৃত্যশিক্ষক খুব কমই পাওয়া যায়। দুই শিক্ষার্থীর  অভিভাবক শিলা রানী, ও ডলি নন্দী বলেন, “উনি খুব আন্তরিকভাবে বাচ্চাদের নৃত্য শেখান, এটা আমাদের জন্য গর্ব।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ