খুলনা বিভাগীয় অঞ্চলে ধানের বাম্পার ফলন,খুশি কৃষক দাম নিয়ে সন্দিহান


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

এম মনিরুল ইসলাম 
স্টাফ রিপোর্টারঃ



দেশের দক্ষিণাঞ্চল তথা খুলনা বিভাগীয় শহরের পল্লীতে, আনাচে-কানাচে গরমের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
 সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়,সাতক্ষীরা জেলা চিংড়ি চাষ ও নদী এলাকার কারণে লবণাক্ততায় ভরপুর।এই লবণাক্ত সাতক্ষীরার অধীনস্থ উপজেলা গুলোতে গরমের ধান ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। সাতক্ষীরা প্রত্যন্তপল্লীতেও গরমের ধান ভালো হয়েছে বলে অনেক কৃষক জানান,বাসিন্দা আব্দুস সামাদের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,বকচোরা গ্রামে আমার বাড়ি প্রায় বারো বিঘা জমি ধানের আবাদ করেছি।বিঘা প্রতি ২০ মনের অধিক ধান হবে বলে আশা করছি। তীব্র লবণ যুক্ত অন্য একটা উপজেলা শ্যামনগর। চারিপাশে নদী লবণাক্ততার রেস ছড়িয়ে পড়েছে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার।এরই মধ্যে যে কৃষক যেমনভাবে সুযোগ পেয়েছে ধানের আবাদ করেছে। চাউলের দাম না কমার কারণে কৃষকরা ধান চাষে মনোনিবেশ করেছেন। শ্যামনগরের নদীমাতৃক এলাকাগুলোতে ধানের ভালো ফলন উপলব্ধি করা গেছে। অনেকে ধান কেটেছেন আবার অনেকে কাটতে শুরু করেছেন,কেউ কেউ সোনা ভরা ধানের রাশি বাড়ির উঠোনে জমাট করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে চলছে চাউল উৎপাদনের কার্যক্রম উপকূলীয় এলাকার দুর্যোগে ক্ষতবিক্ষত নদী অঞ্চলীয় এলাকাগুলো হরিনগর,ভেটখালী,রমজান  ভুরুলিয়া,নোয়াবেকি বুড়িগোয়ালিনী ও দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় ধানের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকরা ধান বিক্রি করতে হতাশায় ভুগছেন।কেমন মূল্য পাবেন এই ভেবে,দেশের কৃষকরা দেশের সম্পদ। কৃষকরা শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হলে
 ও ধানের মানসম্মত মূল্য পেলে, ভবিষ্যতে কৃষকের সংখ্যা অনেকাংশে বেড়ে যাবে।দেশের অর্থনৈতিক খাতে কৃষক সমাজ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। কৃষক পরিবারের পক্ষ থেকে ন্যায্য মূল্য পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ