৫ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণা, ডিজঅনার চেক ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ; দক্ষিণখান থানায় জিডি


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


এক মাসের চুক্তি শেষে টাকা ফেরত না দিয়ে সময়ক্ষেপণ, ব্যাংকে ডিজঅনার চেক—স্বাক্ষরেও অসঙ্গতির অভিযোগ
______________________________________

স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানীর দক্ষিণখান থানায় ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা, চেক জালিয়াতি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ধার নেওয়া অর্থ নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করে অভিযুক্ত ব্যক্তি নানা কৌশলে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে নিরাপত্তা হিসেবে দেওয়া চেক ব্যাংকে জমা দিলে তা ডিজঅনার হয় এবং চেকের স্বাক্ষরের সঙ্গে ব্যাংকে সংরক্ষিত স্বাক্ষরেরও মিল পাওয়া যায়নি।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জনাব ডি. এ. পারভেজ (পিতা: ডি. এ. সামাদ, মাতা: ছেবেদা বিবি), আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকার বাসিন্দা, এম. এ. খালেক হোসেনের (পিতা: হোসেন আলী, মাতা: মোসাম্মাৎ রুপা বানী), তেজগাঁও, ঢাকার বাসিন্দাকে এক মাসের জন্য ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা ধার প্রদান করেন। ঋণের বিপরীতে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয় এবং নিরাপত্তা হিসেবে উত্তরা ব্যাংকের একটি চেক প্রদান করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে এম. এ. খালেক হোসেন বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। পরে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে নিরাপত্তা হিসেবে দেওয়া চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, সংশ্লিষ্ট হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। একই সঙ্গে চেকে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে ব্যাংকে সংরক্ষিত নমুনা স্বাক্ষরেরও মিল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় অভিযুক্ত মোবাইল ফোনে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে তিনি দক্ষিণখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, এম. এ. খালেক হোসেনের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করলে এ ধরনের আরও ভুক্তভোগীর তথ্য সামনে আসতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বিঃদ্রঃ এ প্রতিবেদনে বর্ণিত তথ্যসমূহ অভিযোগকারীর দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও তার বক্তব্যের্য ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে এম. এ. খালেক হোসেনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ