শেরপুর মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সর্বোত্তম স্থান: ঐতিহাসিক কাটাখালী ঝিনাইগাতী


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


মো: মামুন হোসেন,শেরপুর:
শেরপুর জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতাল। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে এমন একটি স্থান নির্বাচন করা প্রয়োজন, যা জেলার সর্বাধিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত ভিত্তি তৈরি করবে। সেই বিবেচনায় ঝিনাইগাতী উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক কাটাখালীই হতে পারে শেরপুর মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সর্বোত্তম স্থান।

 কেন কাটাখালী

 কৌশলগত অবস্থান কাটাখালী এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে অবস্থিত, যেখানে ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও শেরপুর সদর উপজেলার সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। একইসঙ্গে হালুয়াঘাট, বকশীগঞ্জ ও রৌমারী উপজেলার মানুষও স্বল্প সময়ে এখানে পৌঁছাতে পারবেন। ফলে মেডিকেল কলেজটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং বৃহত্তর অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

 স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূরীকরণ বর্তমানে শেরপুর জেলার উত্তর ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ, ঢাকা কিংবা অন্যান্য দূরবর্তী শহরে যেতে বাধ্য হন। এতে সময়, অর্থ ও দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। কাটাখালীতে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী, বকশীগঞ্জ, রৌমারী ও হালুয়াঘাটসহ বিস্তীর্ণ এলাকার লাখো মানুষ দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসাসেবা লাভের সুযোগ পাবেন।

 স্বাস্থ্যসেবার ন্যায্য বণ্টন নকলা উপজেলার মানুষ তুলনামূলকভাবে ময়মনসিংহের উন্নত চিকিৎসাসেবার কাছাকাছি অবস্থান করেন। কিন্তু জেলার উত্তরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ এখনও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ