দলের দুঃসময়ে সক্রিয় কর্মী ছিল রাজিব ও বারবার নির্যাতিত হওয়ার পরেও দল ছাড়েননি।
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
সামান্য আলো দেখতেই আবার লাঞ্ছনার শিকার
__________________________
দলের দুঃসময়ে দৃঢ় অবস্থান রাখা নেতাদের তালিকায় সাবেক ছাত্রনেতা ও ময়মনসিংহ মহানগর (১) সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজিব হোসেনের নাম বারবার উঠে আসে। রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ের মধ্যে তিনি একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কখনো বাড়িঘর ছেড়ে লুকিয়ে থাকতে হয়েছে, কখনো বিচ্ছিন্ন থেকেছেন পরিবার থেকে—স্ত্রী, সন্তান, এমনকি বাবা-মায়ের সাথেও দেখা করতে পারেননি দীর্ঘদিন।
দলীয় আদর্শে অবিচল থেকে রাজিব প্রতিটি দুঃসময়ে রাজপথের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন।
সম্প্রতি পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তিনি সামান্য আশার আলো দেখেছিলেন। ভেবেছিলেন—দীর্ঘ অন্ধকার শেষে হয়তো শান্তি ফিরবে। কিন্তু সেই সামান্য আলোকছটাতেই আবারও আঘাত নেমে আসে তার জীবনে। স্থানীয় দুর্নীতিবাজ ও স্বার্থান্বেষী মহলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোয় তাকে শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে বেডে শুতে হয়েছে। মাথায় ব্যান্ডেজ, চোখেমুখে ক্লান্তি—তবুও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান বদলায়নি তার।
রাজিব হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
> “দলের ভেতরের দুর্নীতিবাজদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলাই যেন আমার একমাত্র অপরাধ। তাই আমাকে বারবার টার্গেট করা হচ্ছে।”
এ ঘটনায় সাধারণ দলীয় কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। রাজিবের দাবি,
> “যারা দলের জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করেন, তাদের বারবার হেনস্তা হলে মনোবল ভেঙে যায়। এমন ঘটনার দ্রুত প্রতিকার জরুরি।”
তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আবেদন জানান—
> “দলের জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার করেন, অন্তত তাদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা হোক।”
স্থানীয় ত্যাগী নেতাকর্মীরা বলছেন, রাজিবের মতো নির্যাতিত কর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ঘটনা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :