শাল্লায় ১৫০ এতিম ও অসহায় শিশুর মুখে হাসি ফোটালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
মোঃ ফখরুল ইসলাম
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমা ও আনন্দের ছোঁয়া পৌঁছে গেছে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় শিশুদের দ্বারে। "ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ"—এই চিরন্তন বাণীকে ধারণ করে ৪নং শাল্লা ইউনিয়নে এক অনন্য মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ-এর পক্ষ থেকে এলাকার ১৫০ জন অসহায় ও এতিম শিশুর মাঝে পবিত্র কুরবানির গোশত বিতরণ করা হয়েছে।
আনন্দের ভাগাভাগি ও মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। কিন্তু সমাজের অবহেলিত ও এতিম শিশুদের জন্য এই আনন্দ অনেক সময়ই অধরা থেকে যায়। সেইসব কোমলমতি শিশুদের ঈদের খুশিতে শামিল করতেই আমার এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
তিনি নিজ হাতে এতিমদের মাঝে গোশত বিতরণ করেন।বিতরণ কালে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপহার হাতে পেয়ে এতিম শিশুদের মুখে যে চওড়া হাসি ফুটে উঠেছিল, তা ছিল যেকোনো উৎসবের চেয়েও সুন্দর।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদ বলেন:"জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য""কুরবানি আমাদের আত্মত্যাগ ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। সমাজের বিত্তবানদের সামান্য একটু সদিচ্ছা এই এতিম ও অসহায় শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে। আমি সর্বদা শাল্লাবাসীর পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। এতিমদের মুখে হাসি ফোটানোর এই প্রচেষ্টা আমার কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং মানবিক ও ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে।"
তিনি তার বক্তব্য উল্লেখ করে বলেন ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, বৈষম্যহীন এবং মানবিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল স্বপ্ন ও লক্ষ্য।
মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদের এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও সুধী সমাজ। স্থানীয়রা জানান, জাহিদ সাহেব সব সময়ই যেকোনো দুর্যোগে ও উৎসবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। এতিমদের মাঝে কুরবানির গোশত বিতরণের এই উদ্যোগটি সমাজে এক দারুণ ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।
মাওলানা নাজমুল ইসলাম জাহিদের এই মানবিক প্রয়াস প্রমাণ করে যে, সমাজে এখনও নিঃস্বার্থ মানুষের অভাব নেই। এতিম ও অসহায়দের প্রতি এই ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ ৪নং শাল্লা ইউনিয়নে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
আপনার মতামত লিখুন :