সেবায়, ত্যাগে ও নেতৃত্বে উলিপুরে আলোচনায় বিএনপি মনোনয়নপ্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ (জনী)


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


আসন্ন জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তৎপরতা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হচ্ছে।

 কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুরসহ চারটি আসনেও চলছে রাজনৈতিক কর্মতৎপরতা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন কুড়িগ্রাম-০৩ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবু সাঈদ (জনী)।

উলিপুর পৌর এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত চরাঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে তার পোস্টার-বিলবোর্ড। স্থানীয়দের মতে, তরুণ ও ত্যাগী এই নেতা দলের কঠিন সময়েও ছিলেন দৃঢ় ও নিবেদিতপ্রাণ।


🔹 ত্যাগ ও সংগ্রামের রাজনীতি

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে পল্লবী থানা পুলিশ ইঞ্জিনিয়ার জনীকে গ্রেপ্তার করে। সাত দিনের রিমান্ড শেষে তিন মাস কারাভোগ করেন তিনি। পরবর্তীতে হাইকোর্ট থেকে জামিন পান দুটি মামলায়—বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে।

কারাভোগ ও আর্থিক ক্ষতির পরও থেমে থাকেননি তিনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশে থেকে রাজনীতি চালিয়ে গেছেন অবিচলভাবে।

🔹 দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা

ইঞ্জিনিয়ার জনীর রাজনীতি শুরু স্কুলজীবনে। ১৯৯৯-২০০১ সালে তিনি ছিলেন থানাহাট এ ইউ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য। পরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট (টাঙ্গাইল) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি শাখার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব)-এর বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন—সহ-সভাপতি (২০০৯-২০১২), সিনিয়র সহ-সভাপতি (২০১৩-২০২২), যুগ্ম আহ্বায়ক (২০২৩-২০২৪) এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের কমিটিতে সিনিয়র সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছেন।

🔹 সমাজসেবায় অনন্য অবদান

রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবক হিসেবেও ইঞ্জিনিয়ার জনীর অবদান প্রশংসনীয়। নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান সংস্কার, রাস্তাঘাট মেরামত এবং অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন তিনি। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসহায়তা থেকে শুরু করে দুর্গাপূজার সময় সংখ্যালঘু পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন একাধিকবার।

উলিপুরের স্থানীয় বাসিন্দা চাঁন মিয়া বলেন, “এমন তরুণ নেতা থাকলে উলিপুরের উন্নয়ন হবেই।” আর বকুল মিয়ার ভাষায়, “তিনি শুধু বিএনপির নেতা নন, তিনি জনমানুষের নেতা।”

🔹 বিনয়ী বক্তব্যে মুগ্ধ সাংবাদিকরা

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ (জনী) বলেন,

> “আমার এমপি বা মন্ত্রী হওয়ার কোনো লোভ নেই। সারাজীবন মানুষের সেবা করে যেতে চাই—এই দোয়া করবেন।”



তিনি আরও বলেন,

> “উলিপুরের চরাঞ্চলগুলোর উন্নয়নই আমার অগ্রাধিকার। চর এলাকায় রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন না হলে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। কর্মসংস্থান তৈরি হলে দারিদ্র্য কমবে।”

তার মতে, বিএনপি যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, কুড়িগ্রাম-০৩ আসনে মানুষের ভালোবাসায় জয় নিশ্চিত হবে।

🔹 জনগণের প্রত্যাশা

উলিপুরের জনমানুষের মুখে মুখে এখন একটি নাম—“জনী ভাই”। তরুণ, প্রবীণ, নারী-পুরুষ সবার কাছেই তিনি পরিচিত একজন সেবকনেতা হিসেবে।
অনেকেই মনে করছেন, এমন ত্যাগী ও মানবিক নেতৃত্বই উলিপুরকে বদলে দিতে পারে নতুনভাবে।


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি | প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ