নীলফামারীতে দুই দফা বাস্তবায়নের দাবীতে কর্মবিরতি পালন করেছে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীরা


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নীলফামারীতে দুই দফা বাস্তবায়নের দাবীতে কর্মবিরতি পালন করেছে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীরা


আব্দুস সালাম,নীলফামারীঃ 



বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশনের আন্দোলনে দুই দফা দাবী বাস্তবায়নে নীলফামারীতে দুই ঘন্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালন করেছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এ্যাসোসিয়েশন। 
সারাদেশের ন্যায় সোমবার ৫ই মে ২০২৫ সকাল সাড়ে নয়টা থেকে সকাল সাড়ে এগারটা পর্যন্ত নীলফামারী জেলা জজ আদালত চত্বরে প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করেন বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় সহায়ক কর্মচারীরা।
এসময় কর্মচারীরা বলেন,বিচার বিভাগের স্বচ্ছ ও কার্যকর পরিচালনায় যারা নীরবে, নিঃশব্দে কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিদিন, তাদের জীবন আজও ঘিরে রেখেছে বঞ্চনা, বৈষম্য আর উপেক্ষার অন্ধকার।
তারা বিচারক নই, প্রশাসনিক উচ্চপদেও নাই—আমরা সহায়ক কর্মচারী। কিন্তু কোর্টের প্রতিটি ফাইলে, প্রতিটি শুনানিতে আমাদের উপস্থিতি অবিচ্ছেদ্য।আমাদের কর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না করেই দেশের ন্যায়বিচার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা কতটা সম্ভব?

তাদের মুখে মুখে একটি দাবি—“আমরা ন্যায়বিচার চাই, আমাদের জীবনে।”
দাবি শুধু বেতন বৃদ্ধির নয়—মানবিক স্বীকৃতিরও।আমাদের অনেকেই ২০ বছর ধরে কাজ করছেন, অথচ এখনও পদোন্নতির মুখ দেখেননি। 

কর্মচারীরা বলেন, বিদ্যমান জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের ১ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেডের পরবর্তী ৭ম থেকে ১২ তম গ্রেটভুক্ত করা ও বিদ্যমান ব্লক পথ বিলুপ্ত করে যুগোপযোগী পদ সৃজনপূর্বক ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুযোগ রেখে স্বতন্ত্র নিয়োগ বিধি প্রণয়নের জন্য বহুবার আবেদন করলেও তা কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ থেকেছে।

বক্তারা আরও বলেন, ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ প্রশাসনিকভাবে পৃথক হওয়ার পর সহায়ক কর্মচারীদের পদোন্নতি ও বেতন কাঠামোর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সরকার। তবে বাস্তবে এখনও সেসব সুবিধা বাস্তবায়নের দেখা মেলেনি। এই দীর্ঘ অবহেলায় ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে নীলফামারীর কর্মবিরতিতে।

বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় সহায়ক কর্মচারী কমিটির রংপুর বিভাগীয় সহ-সভাপতি ও নীলফামারী জেলা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রামানিক আক্ষেপ করে বলেন, “বিচার বিভাগ মানেই শুধু বিচারক নন। আমরা না থাকলে আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রম চলত না। অথচ আমাদের কথা কেউ শোনে না।” 
দুই দফা বাস্তবায়নের দাবী জানিয়ে কর্মসুচির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ