জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষে দুই গ্রুপেই আতঙ্কে
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
আরেফিন ইসলাম:
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা থানার ধর্মপাল ইউনিয়নের সবুজ পাড়া গ্রামে গত ১৫ জুন ( রবিবার ) জমিজমার মারপিটকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষেই আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মারপিটে মামলা হলেও স্বস্তিতে নেই দুইপক্ষের কেউই। গুরুতর আহত অবস্থায় উভয় পক্ষের সাত থেকে আট জন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়িতে ফিরে এমনটি জানান তারা।
মো.ফজলুল হক বলেন, "গুরুতর আহত অবস্থায় যখন আমি হাসপাতালে ভর্তি হই তখন থেকেই তারা আমাদেরকে নানান ভাবে হুমকি ধামকি দিতে চেষ্টা করছে। এমনকি এক পর্যায়ে হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগে আমার ২৩ নাম্বার বেডের পাশের গলিতে দুইজন হাত দিয়ে আমাকে আটকাতে চেষ্টা করলে সামনে লোক থাকায় কোনোভাবে বেচে যাই।
আজগার আলী (৩৮), ফারুক (২৫), হাসেন আলী (৩০), বেলাল মিয়া (৩৫), মিয়ার আলী (৩০), নুরনবী (৩০) রাজ্জাক ও জাকিরসহ প্রথম পক্ষের অনেকেরই বিরুদ্ধে আসছে আক্রমনের হুমকি-ধামকি।
জানা যায়, বিশ বছর আগেই প্রথম পক্ষ ৪৮ শতক জমির বৈধ দলিল নিয়েছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষের ৬ শতক জমি এসে ঢুকে পড়ে।প্রথম পক্ষ কোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত জমিতে চাষাবাদ বন্ধ রাখেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় পক্ষ চাষাবাদের জন্য তৎপর হলে ১৪ ও ১৫ জুন দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ নিয়ে দু-পক্ষেরই গুরুতর আহত'র সংখ্যা প্রায় বিশ জন।
তারা বলেন, "আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তারা গাছ পর্যন্ত লাগায়।
মনসের আলী- বলেন, "আজগার আলী, তার সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। অথচ সে আমাদেরকে না থামিয়ে নিজেই ছুড়ি ও লাঠি নিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। সে তিন-চার লক্ষ টাকার বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ।"
রহিছ আলী বলেন,"আমরা হাট বাজারে যাওয়া বন্ধ কইরা দিছি, "বিছন চারা তুলতে গেচি,তহন ফারুক কয়, এক মিনিট ফোন দিলেন না? যদি ইনকেচ কিছু হয়! যদি মাইর ফিরে আসে? এরিয়ায় আইছিস কেন ?
অন্যদিকে দ্বিতীয় পক্ষের আজগার আলী এসব অস্বীকার করে বলেন " আমি মূলত সেখানে গিয়েছিলাম তাদের বিবাদ মিটাতে। কিন্তু তারা আমাকেই ঘটনাস্থলে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে। আমার বাবা, মা ও বউসহ আরো অনেককে যখম করেছে তারা। আমার পাশে পাঁচ জন সর্বক্ষণ থাকে। আমি ভীত সন্ত্রস্ত থাকি,কখন যেনো তারা আবার পূর্বের মতো ঘটনা ঘটায়। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। "
তিনি আরও বলেন, "একশত ত্রিশটি লাঠি তৈরি করেছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা।"
আপনার মতামত লিখুন :