কনটেন্ট ক্রিয়েশনের নামে অশালীনতা! বিতর্কিত ভিডিওতে কলঙ্কিত হচ্ছে যশোরের সুনাম


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


মাো: শাহিনুর রহমান যশোর :
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ; আইনের আওতায় আনার দাবি সচেতন মহলের

যশোর বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় জেলা। ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিক্ষার ক্ষেত্রে এই জেলার অবদান দীর্ঘদিনের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু বিতর্কিত কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জেলার সুনাম প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে যশোরের বিভিন্ন এলাকায় অনেকেই নিজেদের কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। কেউ কেউ ইতিবাচক ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরি করলেও অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যক্তি বিশেষ করে কয়েকজন তরুণী অশালীন ও বিতর্কিত ভিডিও তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করছেন।

এ ধরনের কনটেন্ট অনেকের কাছে আপত্তিকর বলে মনে হচ্ছে এবং এতে তরুণ সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই এ নিয়ে নানা সমালোচনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, কনটেন্ট ক্রিয়েশন একটি সৃজনশীল কাজ। কিন্তু যদি সেটি সমাজের মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী হয়ে যায়, তাহলে তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। জনপ্রিয়তার আশায় যদি কেউ সীমা অতিক্রম করে, তাহলে সেটি সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে।
অনেক অভিভাবকও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের ভিডিও তরুণ প্রজন্মের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তারা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী যশোরের প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, অশালীন বা আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
অনেক সচেতন নাগরিক মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ যদি অশালীনতা বা অসামাজিক আচরণ ছড়িয়ে দেয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা করা উচিত বলেও মত দিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকবে, তবে সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার যেন না হয়—সেদিকেও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

সচেতন নাগরিকরা আরও বলেন, যশোর একটি সম্মানিত জেলা এবং এই জেলার ঐতিহ্য ও সুনাম রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।
তাদের মতে, ইতিবাচক ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমেই সমাজকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাই কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রতি আহ্বান—সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার বিষয়টি মাথায় রেখে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

অন্যদিকে অনেকেই মনে করেন, যশোরের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারই পারে সমাজকে সুন্দর পথে এগিয়ে নিতে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ