বিয়ের প্রলোভনে তালাক করিয়ে ১৪ দিন ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে মামলা
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
মো:মামুন হোসেন,শেরপুর :
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে তার স্বামীর সঙ্গে তালাক করিয়ে নিয়ে টানা ১৪ দিন ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের দক্ষিণ ফকিরপাড়া এলাকায় ঘটেছে। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ, আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী আমেনা খাতুন (৪০) জানান, তিনি কিছুদিন আগে তার ছোট বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় পাশের এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম কাইল্লা (৪২) তার সঙ্গে পরিচয় গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখাতে শুরু করেন। অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নকলা উপজেলার ধনাকুশা ইউনিয়নের নদীরপাড় গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জহিরুল ইসলাম কৌশলে তাকে নানা ধরনের কুপরামর্শ দিতে থাকেন এবং বলেন, তিনি তাকে বিয়ে করবেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি তার আগের স্বামীর সঙ্গে তালাক দিতে বাধ্য হন। পরে জহিরুল ইসলাম তাকে কাজী অফিসে নিয়ে গিয়ে বিয়ে ও কাবিন সম্পন্ন হয়েছে বলে বিশ্বাস করান।
আমেনা খাতুন বলেন, বিয়ে হয়েছে এমন বিশ্বাসে তিনি জহিরুল ইসলামের সঙ্গে তার বাড়িতে চলে যান। কিন্তু পরে জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বিষয়টি জানতে পেরে কাজী অফিসে খোঁজখবর নেন। তখন জানা যায়, ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী তাদের কোনো বিয়ে বা কাবিনই সম্পন্ন হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে টানা প্রায় ১৪ দিন ধরে ধর্ষণ করেন জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি বিয়ে হয়েছে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু পরে জানতে পারি সবই ছিল প্রতারণা। আমার সংসার ভেঙে দিয়ে আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।”
আপনার মতামত লিখুন :