নরসিংদী রায়পুরার মেঘনায় ডাকাতের হামলা, ১৭ ঘণ্টা পর গুলিবিদ্ধ জেলের মরদেহ উদ্ধার
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
নরসিংদী রায়পুরার মেঘনায় ডাকাতের হামলা, ১৭ ঘণ্টা পর গুলিবিদ্ধ জেলের মরদেহ উদ্ধার
______________________________
নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতের হামলার কবলে পড়ে নদীতে ঝাঁপ দেন দুই জেলে। এ সময় চানু মিয়া নামে এক জেলে সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও তার ভাতিজা হেদায়েতুল্লাহ (২২) নিখোঁজ হন। ঘটনার প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে নিখোঁজ হেদায়েতুল্লাহর গুলিবিদ্ধ মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত হেদায়েতুল্লাহ রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর এলাকার আসাদ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন জেলে ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১২টার দিকে চানু মিয়া তার ভাতিজা হেদায়েতুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ফকিরের চর থেকে পশ্চিম দিকে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করতে যান। এ সময় দ্রতগতির একটি স্পিডবোট তাদের নৌকার কাছে এসে থামে। স্পিডবোটে থাকা একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাদের দিকে এগিয়ে আসে। ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চানু মিয়া ও হেদায়েতুল্লাহ নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে চানু মিয়া সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও হেদায়েতুল্লাহ নিখোঁজ হয়ে যান। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা গুলি ছোড়ে।
ঘটনার প্রায় ১৭ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি মেঘনা নদীতে হেদায়েতুল্লাহর মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জালাল মিয়া জানান, ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়রা নৌকা নিয়ে নদীর বিভিন্ন স্থানে নিখোঁজ হেদায়েতুল্লাহর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। শনিবার বিকেলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত হেদায়েতুল্লাহর শরীরে একাধিক গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় ফকিরের চরসহ আশপাশের এলাকায় ডাকাত আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, নিহত ব্যক্তির শরীরের বাঁ পাশে কানের নিচে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।
সাইফুল ইসলাম রুদ্র,
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি
আপনার মতামত লিখুন :