আম জনতার দল, মোঃ তারেক রহমানের একশ ঘণ্টার অনশন বনাম অযোগ্য নির্বাচন কমিশন সমাচার
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
আম জনতার দল, মোঃ তারেক রহমানের একশ ঘণ্টার অনশন বনাম অযোগ্য নির্বাচন কমিশন সমাচার
__________________________
প্রিয় পাঠক, আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আমি ততটা ভালো নেই— হয়তো সেই কারণেই অনেকদিন ধরে লেখালেখি থেকে দূরে ছিলাম। তবে আজকের এই লেখা পড়ে কেউ যেন মন খারাপ না করেন— এই কামনাই করি।
আম জনতা দলের সভাপতি মোঃ তারেক রহমান প্রায় একশ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে। তাঁর দাবি— তাঁর দলের নিবন্ধন দিতে হবে।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন বলছে, তাদের শর্ত পূরণ হয়নি। কিন্তু মোঃ তারেক রহমানের অভিযোগ— ডেসটিনির চেয়ারম্যান দুই কোটি টাকার বিনিময়ে একটি দলের নিবন্ধন নিয়েছেন!
অভিযোগের সত্যতা হয়তো নিশ্চিত নয়, কিন্তু ডেসটিনির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রয়েছে প্রতারণার গুরুতর মামলা ও জেল খাটার ইতিহাস। প্রশ্ন হচ্ছে— একজন প্রতারক কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পেলেন?
ধরা যাক, তিনি সত্যিই নির্বাচন কমিশনের সব শর্ত পূরণ করেছেন। কিন্তু একজন চিহ্নিত চোর যদি সব শর্ত পূরণ করে ফেলেন, তাহলে কি তাঁর জন্য রাজনৈতিক দরজা খুলে দেওয়া উচিত?
নির্বাচনে অংশ নিতে গেলে নির্বাচন কমিশনেরই তো কিছু কঠোর বিধিনিষেধ আছে— যেমন
১️⃣ ঋণখেলাপি হলে প্রার্থী হওয়া যায় না,
২️⃣ ফেরারি আসামি হলে নয়,
৩️⃣ বিদেশি নাগরিক হলে নয়,
৪️⃣ অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে নয়।
তাহলে একজন প্রতারণার মামলার আসামি জামিনে থেকে কীভাবে নতুন দল গঠন করে নিবন্ধন পেলেন?
এটা কি ভাবা যায়— এই দেশে নির্বাচন কমিশন নামের প্রতিষ্ঠানটি চোরদের আশ্রয়স্থল হয়ে গেছে! কত বড় লজ্জা— গোটা জাতির জন্য!
অন্যদিকে মোঃ তারেক রহমান, দীর্ঘ অনশন করে প্রমাণ করেছেন— নির্বাচন কমিশন কতটা অযোগ্য, অদক্ষ ও বিতর্কিত একটি প্রতিষ্ঠান।
যদি আগামীকালই হঠাৎ করে তারা ‘আম জনতার দল’-কে নিবন্ধন দেয়, তবুও প্রমাণ হবে— তারা অযোগ্য।
আর যদি না দেয়— তবুও বিতর্ক থেকেই যাবে।
যাকে বলে— লেজে গোবরে অবস্থা!
✍️ অথই নূরুল আমিন
কবি, কলামিস্ট ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী
আপনার মতামত লিখুন :