এসআই সোহেল রানার বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ সেলিম সাজ্জাদ 
স্টাফ রিপোর্টার ময়মনসিংহঃ



ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ৩ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই সোহেল রানার বিরুদ্ধে সম্প্রতি কিছু ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের এই দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এ ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত বলে জানা গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এসআই সোহেল রানা ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে কিশোরগঞ্জে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-তে নিয়োগ পান। তিনি ২০১৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় বছর পিবিআই-তে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানাধীন ৩ নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদান করেন।

তথ্যসূত্র বলছে, ৫ আগস্ট ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত একটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এসআই সোহেল রানার বিরুদ্ধে যেভাবে প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া। কারণ ঐ সময় তিনি কিশোরগঞ্জ পিবিআই-তে কর্মরত ছিলেন। সুতরাং আন্দোলনে অংশগ্রহণ কিংবা বাধাদানের প্রশ্নই ওঠে না।

ময়মনসিংহ শহরের আকুয়া এলাকার ৩ নম্বর ফাঁড়ি এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও ইয়াবা কারবারীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। এসআই সোহেল রানা দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে একাধিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বহু মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনেন। তার এ উদ্যোগে মাদক ব্যবসায়ীরা যেমন অস্বস্তিতে পড়ে, তেমনি তাদের পৃষ্ঠপোষক কিছু স্বার্থান্বেষী স্থানীয় নেতা এবং কথিত হলুদ সাংবাদিকরা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও মিথ্যা অপবাদে অভিযুক্ত করে তার কাজের গতিতে বাধা সৃষ্টি করছে।

এসআই সোহেল রানা বলেন, "আমি যে এলাকায় দায়িত্বে থাকব, সেখানে কোনো মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী কিংবা অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। তবে কিছু লোক যখন মাদক কারবারিদের সুপারিশ নিয়ে আসে এবং আমি তা না শুনি, তখনই তারা আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার শুরু করে। এটি দায়িত্বপালনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

এ বিষয়ে সাধারণ নাগরিক, সচেতন মহল ও এলাকাবাসী মনে করেন, একজন সাহসী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে তাকে দমিয়ে রাখার অপচেষ্টা মাদকের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই দ্রুত ভুয়া সাংবাদিক ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

শেষ কথা:
মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের অভিযানই হোক না কেন, তা সফল করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিকদেরও সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে। মাদকবিরোধী যুদ্ধে সৎ ও কর্তব্যপরায়ণ পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ