নীলডুমুর সরকারি জায়গা আত্মসাতে বাধা দিলে,অতর্কিত হামলাও মহিলাদের স্বর্ণালংকার ছিনতাই।


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নীলডুমুর সরকারি জায়গা আত্মসাতে বাধা দিলে,অতর্কিত হামলাও মহিলাদের স্বর্ণালংকার ছিনতাই। 


এম মনিরুল ইসলাম 
স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরা,,



গত ২৯ এ এপ্রিল দৈনিক মাতৃভূমির কথা ও দৈনিক খবর সবরকম পত্রিকায় ,সরকারি জায়গা আত্মসাতে বাধা দিলে আক্রমণ ও ছিনতাই,শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। যে প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ জনস্বার্থমূলক,ঘটনাটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী 
নীলডুমুর টুঙ্গীপাড়া মহল্লা এলাকায়।গত ২৭শে এপ্রিল এই লজ্জাজনক ঘটনা ঘটে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়,
এই মহল্লায় শতাধিক পরিবারের বসবাস।তাদের ছেলেমেয়ে এই পথ দিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করে থাকে।বয়স্করাও চলাফেরা করে। স্থানীয় এলাকাবাসী রাস্তার পাশে সামান্য জায়গা, রাস্তার কাজে ব্যবহৃত হবে এজন্য রাখা হয়েছিল কিন্তু প্রতিপক্ষ মিজানুর বাহিনী গায়ের জোরে সরকারি জায়গাটি নিজের আয়ত্তে নিয়ে, নেট জাল দিয়ে ঘিরে হেরে গেছে। সম্প্রতি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে,আকস্মিক ঢাকা হতে একটি ফোন আসে।তিনি যথেষ্ট ভয় ভীতি হুমকি দিতে থাকেন।উত্তরে বললাম, ঘটনার পর হতে আপনাদের কাউকে পাওয়া যায়নি এজন্য হয়তো সত্য জানিনা।দয়া করে আপনি সত্য সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।এরপর থেকে তাকে আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। অতীতের দুটি পত্রিকায় মাননীয় ইউ এন ও মহোদয়ের নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানিয়েছিল এলাকাবাসী। সমাজের জঞ্জাল দূর করতে সত্যকে সত্য মিথ্যা বললেই হতে হয় হলুদ সাংবাদিক। হুমকি দেয়া হয়। ধারণকৃত ছবিটিতে মিজানুর নিজের পুকুরের পাড় ছাড়া রাস্তাটির গায়ে নেট দিয়ে নিজের সীমানায় নিয়েছে। কিছুদিন পূর্বে তার পুকুর থেকে সুন্দরবনের অবৈধ পশুর গরান সহবিভিন্ন চোরাই কার্ড উদ্ধার করে স্থানীয় বন বিভাগের সহযোগী সংগঠন সিপিজি ক্রাইম পেট্রোল টিমের সদস্যরা। স্থানীয় অনেকেই তাণ্ডবের তান্ডব ও ভাঙচুরের কথা স্বীকার করেছেন।৬-৭ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের বড় ভাইয়ের বাড়িতে তান্ডব চালায় ভাঙচুর করে।বাড়িওয়ালা আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে যথাসাধ্য ধৈর্য ও কৌশলের সাথে বিষয়টি সাময়িক থামাতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে গণমাধ্যম কর্মীকে নানারকম হুমকি দেয়া হচ্ছে।যার অডিও কল রেকর্ড রয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যানের বোন ও ভাবিকে লজ্জাজনকভাবে অপমান করেছে। বাড়িওয়ালির আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেন, ও স্বর্ণের নাকফুল ছিনতাই করে, আত্মসাৎ করা হয়েছে। অপর মহিলা চেয়ারম্যানের বোন মনোয়ারা বেগমের হাতের রুলি ছিনতাই করেছে মিজানুর বাহিনী। যার বর্তমান বাজার হিসেবে আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার অধিক। নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক, ভুক্তভোগীরা তাদের পাওনা ফিরে পেতে পারে এবং অবহেলিত রাস্তাটি সংস্কারের জন্য মাননীয় ইউনিয়ন মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।শ্যামনগর উপজেলার টুঙ্গিপাড়া মহল্লার মানুষগুলো বিশেষ করে বর্ষার দিনে চরম কষ্টে চলাফেরা করে থাকে।চলাচলের রাস্তার পাশে অবশিষ্ট খাস জায়গা দখলের পাঁয়তারা করছে,
 মৃত গোলাপ ঢালীর পুত্র মিজানুর বাহিনীর।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে মিজানুর বাহিনী সরকারি খাস জায়গা দখল করতে, এলাকাবাসীর সঙ্গে অনেকবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।সম্প্রতি পুনরায় জায়গাটি দখল নিতে গেলে, মহল্লা বাসীর পক্ষে মরহুম আলহাজ্ব জনাব আলী মোল্লার বড় পুত্র বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বড় ভাই, রহিম মোল্লা তার সহধর্মিনী রহিমা বেগম ও জার্নালিস্ট এম মনিরুল ইসলামের মাতা সমন্বিতভাবে রাস্তায় ব্যবহৃত হবে,এরকম বিভিন্ন বুজ দেয়ার চেষ্টা করত,মিজানুর ঢালি গং
 হাফিজুর পিতা মৃত লিয়াকত ঢালী, সিরাজুল,আরশাদ পিতা মৃত গোলাপ ঢালী। গডফাদার মিজানুর ঢালির বড় ছেলে বাপ্পি সহ এই সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। মহিলাদের শ্রীলতাহানির এবং ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালায়।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ