ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাসে প্রবাসীর জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ, আদালতে মামলা চলমান


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:



ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস এলাকায় SRB-১৪-এর বিপরীতে বহুল আলোচিত আমবাগান এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী হারুন অর রশিদ গংদের জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ঘটনায় আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে জমির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে বাঁশের বেড়া দেওয়া এবং জমি ভরাটের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট জমির সীমানাপ্রাচীরের কিছু অংশ ভাঙা রয়েছে।
সেখানে বাঁশের বেড়া দেওয়া এবং বালু ফেলে জমি ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কারা এসব কাজ করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদের ম্যানেজার মানিক জানান , হারুন অর রশিদ গংদের প্রকৃত দলিল মূল্যে জমিটির মালিক।  
জমিটির দাগ নম্বর ১১৫৫ বলে জানা গেছে। জমির মালিকানা ও দখলস্বত্ব নিয়ে বিরোধের জেরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জমি নিয়ে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙা, বাঁশের বেড়া দেওয়া এবং বালু ফেলে জমি ভরাটের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। 

এ পরিস্থিতিতে জমির প্রকৃত মালিকানা, সীমানা এবং দখলসংক্রান্ত কাগজপত্র নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এদিকে, আদালতের কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ অমান্য করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও আদালতের আদেশ যাচাই করা প্রয়োজন। 
জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমে মালিকানা ও দখলসংক্রান্ত বিরোধের আইনগত নিষ্পত্তি হতে পারে।

এ বিষয়ে সন্ধ্যার পরে জমির সীমানাপ্রাচীর ভাঙা, বাঁশের বেড়া দেওয়া কিংবা জমি ভরাটের উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ওঠা ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে চলমান বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী হারুন অর রশিদ গংরা। 

আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের দাবিকেই চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করা সমীচীন নয়।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ