জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ শিক্ষার্থীর এনসিপিতে যোগদান


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:


নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা, ২৪ জুলাই: ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈষম্য, স্বৈরাচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা সেই আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। আন্দোলনের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা এবং মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজ।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় যুবশক্তির কনভেনশনে জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ জন আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং নেতৃত্বস্থানীয় শিক্ষার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদান করেন।

আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্বে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্দোলনের বিস্তৃতি ঘটানো সম্ভব হয় বলে অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন। সেই অভিজ্ঞতা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করেই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা নতুন রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছেন বলে জানান তারা।

অনুষ্ঠানে জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আক্তার হোসেন, নুসরাত তাবাসসুম, হান্নান মাসুদ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভির, মাহিন সরকার, নাসির পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ওমর ফারুক যুবরাজ, রবিউল আলম আকামিন, বাদশা, তাজরিয়ান মাহমুদ এবং মাহমুদ হাসান তুহিন।

বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ, গণআকাঙ্ক্ষা ও বৈষম্যবিরোধী চেতনাকে ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারা জাতীয় নাগরিক পার্টির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেছেন।

তারা আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন শুধু একটি ছাত্র আন্দোলন ছিল না, এটি ছিল ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সেই আদর্শ বাস্তবায়নে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখার লক্ষ্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই সম্মিলিত যোগদান দেশের তরুণ রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্ব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ছাত্র নেতৃত্বকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ