চট্টগ্রামে ৩৮টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করছে চসিক: নিরাপদ নগর গড়ার প্রত্যয় মেয়রের


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম |

​চট্টগ্রাম মহানগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নে হাত দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এরই অংশ হিসেবে নগরজুড়ে ৩৮টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে আরও ৭৮টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

​রোববার (১২ এপ্রিল) নগরের ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের নিউ মনসুরাবাদ এলাকায় ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ফুটওভার ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রকল্পের বর্তমান চিত্র

​মেয়র জানান, পরিকল্পিত নগরায়নের অংশ হিসেবে চসিকের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই ব্রিজগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি নিম্নরূপ:

  • নির্মাণ সম্পন্ন: ৪টি ব্রিজ।
  • চলমান কাজ: ১৫টি ব্রিজ।
  • টেন্ডার পর্যায়ে: ১৭টি ব্রিজ।

গুরুত্ব পাচ্ছে নিউ মনসুরাবাদ এলাকা

​নতুন উদ্বোধন করা ব্রিজটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একে খান গেটের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চসিক সূত্রে জানা গেছে, ৩১.৫ মিটার দীর্ঘ এবং ৩ মিটার প্রস্থের এই ব্রিজে দুটি সিঁড়ি থাকবে। এটি নির্মিত হলে উত্তর কাট্টলী ও উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা নিরাপদে সড়ক পার হতে পারবেন।

মেয়রের বক্তব্য

​ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন,

​"নগরীর উন্নয়ন মানে কেবল দালানকোঠা বা রাস্তা নির্মাণ নয়; বরং নাগরিকদের চলাচলকে নিরাপদ করা। আমরা পথচারী ও যানবাহন—উভয়ের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও দুর্ঘটনাযুক্ত শহর গড়ে তুলতে চাই। এই ফুটওভার ব্রিজগুলো বাস্তবায়িত হলে সড়কে বিশৃঙ্খলা কমবে এবং যানজট নিরসনেও বড় ভূমিকা রাখবে।"


বাস্তবায়নকারী সংস্থা

​সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড

​চট্টগ্রামের ক্রমবর্ধমান জনস্রোত ও যানবাহনের চাপ সামলাতে এই উদ্যোগটি একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এর মাধ্যমে সড়কে প্রাণহানির ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।



ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ