নরসিংদীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী হত্যার ঘটনায় জড়িতরা ছাড় পাবে না: পরিদর্শন শেষে ডিআইজি


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

নরসিংদীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী হত্যার ঘটনায় জড়িতরা ছাড় পাবে না: পরিদর্শন শেষে ডিআইজি
______________________________


নরসিংদীতে ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে বাবার থেকে ছিনিয়ে তরনীকে হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের কাছে গ্রেপ্তারকৃতদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আহম্মদ আলী দেওয়ান, তাঁর ছেলে ইমরান দেওয়ান, প্রধান আসামি নূরার চাচাত ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব, একই এলাকার এবাদুল্লাহ এবং হোসেন বাজার এলাকার গাফফার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে মাধবদী থানায় মামলা করেন। শুক্রবার বিকালে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে মেয়ে হত্যায় জড়িতদের দ্রত শাস্তির আওতায দেখতে চান শোকাভিভূত পরিবার।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, অপরাধীরা যে ই হউক আইনের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকী ৪ জনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে রয়েছে। আশা করছি দ্রত সকল আসামী গ্রেপ্তার হবে।

এদিকে শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান নরসিংদী সদরের এমপি খায়রল কবির খোকন। তিনি বলেন, অপরাধীরা যে দলের ই হউক, যত ক্ষমতাধর হোক কেউ যেন- ছাড় না পায়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে বলেছি। হত্যা মামলার প্রধান আসামী নূরাসহ সব আসামীকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি।

এদিকে এ হত্যার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মাধবদী ও নরসিংদী শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন বখাটে কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সাথে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোন বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ প্রয়োগ করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে আত্মীয় বাড়িতে যাবার পথে গত বুধবার সন্ধ্যায় সৎ পিতার কাছ থেকে কিশোরীকে ছিনিয়ে নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দডকিান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশ।

সাইফুল ইসলাম রুদ্র, 
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ