“ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল” কথাটি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
“ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল” কথাটি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে
___________________________
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা থেকে সাংবাদিকদের ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রচারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে কিছু ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করছে বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশ জানায়,
সংশ্লিষ্ট ঘটনায় থানায় আগত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে যে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয় তা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। কারও বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হুমকি, ব্ল্যাকমেইল বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সত্য নয়। বরং তদন্তের স্বার্থেই পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছে।
কোতোয়ালী মডেল থানার দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজস্ব স্বার্থে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে “ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল” কথাটি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। পুলিশ দাবি করে, কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে হয়রানির শিকার হন, তবে আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত—গণমাধ্যমে যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো অনভিপ্রেত।
পুলিশ প্রশাসন আরও জানায়,
সাংবাদিকরা দেশের কল্যাণে কাজ করেন—এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি থানার তদন্তে অযথা প্রভাব বিস্তার বা চাপ সৃষ্টি করেন, তবে সেটিও নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্ত কাজে বাধা দেওয়া আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে—
১. থানায় ভিডিও ধারণ নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে তা বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।
২. এ ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করার ফলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।
৩. পুলিশের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যাচাইবিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তদন্ত প্রক্রিয়া থেকে মনোযোগ সরানোর কৌশল।
পুলিশ প্রশাসন দাবি করে,
ময়মনসিংহের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা সবসময় কাম্য। কিন্তু তথ্য বিকৃতি, একপেশে প্রচারণা কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থকে সামনে রেখে পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্টের যে প্রয়াস চলছে, তা দুঃখজনক।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন—
“পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক। যেকোনো ভুল–বিভ্রান্তি দূর করতে আলোচনা ও তদন্তের পথ খোলা আছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মনগড়া তথ্য পরিবেশন করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
আপনার মতামত লিখুন :