দেশে বাড়ছে করোনা- ডেঙ্গু, বাড়তি সতর্কতা জোরদার


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু 
ব্যূরো প্রধান খুলনাঃ



বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস নতুন রূপে ফিরে আসছে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বাংলাদেশের বাড়তি সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে, একই সাথে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও বাড়ছে, দীর্ঘদিন পর গত বৃহস্পতিবার (৫ জুন) দেশে নতুন করে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ সাল থেকে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ২৯ হাজার ৫০০ জন করোনা সংক্রমণের আর এখন আবার ঊর্ধ্বমুখী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৮৫ জন।

পাশাপাশি বুধবার (১১ জুন) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে সর্বোচ্চ ২৮৮ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছরের (১২,জুন) পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৪১১ জন, একই সময়ে মোট ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

গত বছরের (১২  জুন) পর্যন্ত দেশের মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ৩ হাজার ১৫০ জন এবং মারা গিয়েছিল ৩৯ জন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনসমাগম পূর্ণ এলাকায় মাস্ক ব্যবহার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ দফা নির্দেশনা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্তবর্তী সরকারের পক্ষ থেকে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক আগমনী  ইমিগ্ৰেশনের প্রবেশ পথে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সরঞ্জাম বসানো হয়েছে, থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় করা হচ্ছে,এ ছাড়াও টার্মিনালের স্পর্শকাতর পয়েন্ট গুলোতে সবার জন্য মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এবার থেমে থেমে বৃষ্টির সঙ্গে ভ্যাপসা গরম ডেঙ্গু-বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট সহায়ক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, এ ছাড়াও ডেঙ্গু রোদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর তৎপরতার অভাব এবং সর্বোপরি সরকারের প্রস্তুতির অভাবকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে দেশে করোনা, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ভাইরাসজনিত জ্বর, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ জনিত জ্বর, টাইফয়েডের কারণে জ্বর ইত্যাদি চলমান আছে, ফলে বয়স্ক মানুষ, দীর্ঘমেয়াদি জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষ, শিশু গর্ভবতী নারী এবং নানা কারণে যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম তারাই বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, তাই এই সময়ে কারো জ্বর হলে কোনভাবেই সেটাকে অবহেলা করা যাবে না, একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা নিতে হবে।

এ বিষয়ে হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার লেলিন চৌধুরী বলেন, করোনা আবার বাড়তে শুরু করেছে, ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত জ্বর শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণজনিত জ্বর, পানিবাহিত সংক্রমণজনিত জ্বর, (যেমন টাইফয়েড) ইত্যাদি চলমান রয়েছে, এগুলোর সঙ্গে করোনা যুক্ত হওয়াতে ভোগান্তি ও প্রাণহানি সম্ভাবনা বেড়ে গেল, 

তিনি আরো বলেন, জ্বর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, দ্রুত সুস্থ হওয়ার জন্য জ্বরের ধরনটি শনাক্ত হওয়া জরুরি, নিবিড় নজরদারিতে রাখা এবং জনসাধারণকে সময়ে সময়ে গাইড করা,


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ