করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ দফা নির্দেশনা
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু
ব্যূরো প্রধান খুলনাঃ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, চিহ্নিত হতে ভাইরাসটির নতুন নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ও সংক্রমণ বৃদ্ধির সক্বায় সতর্কমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সংক্রমণ ঠেকাতে বন্দরে নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি জনসাধারণের উদ্দেশে ১১,টি নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার ( ১১ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব সর্তকতার কথা জানান, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আবু জাফর।
তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রমনের হার বৃদ্ধি ভ্যারিয়েন্ট ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের বিস্তার প্রতিরোধে দেশের সব স্থল, নৌ, বিমান, বান্দরের ,আই এইচ আর, ডেস্ক সমূহে নজরদারি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়গুলো জোরদার করার বিষয়ে ইতিমধ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে,
এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ১২ নির্দেশনা দেন।
নির্দেশনা গুলো হলো -
১, জনসমাগম এড়িয়ে চলুন একান্ত প্রয়োজন হলে অবশ্যই মাস্ক পরুন।
২, শ্বাসতন্ত্রের রোগ থেকে বাঁচতে নিয়মিত মাস্ক ব্যবহার করুন।
৩, হাঁচি বা কাশির সময় নাক মুখ ঢেকে রাখুন কনুই বা টিস্যু ব্যবহার করে।
৪, ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন।
৫ ঘন ঘন সাবান ও পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে ফেলুন।
৬, অপরিষ্কার হাত, চোখ, নাক,মুখ, স্পর্শ, করবেন না।
৭, আক্রান্ত ব্যক্তিদের থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।
সন্দেহজনক রোগীদের ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
১, জ্বর কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকুন।
২, রোগীর নাক -মুখ ঢাকার জন্য মার্ক্স ব্যবহার করতে বলুন।
৩, রোগের সেবা দানকারীরা ও সতর্কতা হিসেবে মার্ক্স ব্যবহার করুন।
৪, প্রয়োজন হলে কাছের হাসপাতালে অথবা আইইডিসিআরের,(০১৪০১-১৯৬২৯৩) অথবা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩)-এর নম্বরে যোগাযোগ করুন।
আপনার মতামত লিখুন :