প্রেমের ফাঁদে পড়ে এক সন্তানের জননী পালাতক
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
মোঃআনোয়ার হোসেন বগুড়া প্রতিনিধিঃ
নিলফামারী থেকে বগুড়ার শাজাহানপুরে এক সন্তানের জনকের কাছে ছুটে এলো এক সন্তানের জননী।প্রথম বিয়ের স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের পর ঢাকা আব্দুল্লাহপুরে আবুল খায়ের সিরামিকে কর্মরত এক কন্যা সন্তানের জননী মাসুমা আকতার ২২। সে নিলফামারী সদর উপজেলার উত্তরা শিশির গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে। কর্মের সুবাদে মাসুমা আকতার তার ৪ বছরের শিশু মেয়ে সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে ঢাকা আব্দুল্লাহপুর আবাসিক এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এক পর্যায়ে মাসুমার হঠাৎ ফেসবুকে পরিচয় হয় বগুড়ার শাজাহানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নের জামুন্না হাটপাড়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে সাজ্জাদ হোসেনের (২৫) সাথে। এদিকে সাজ্জাদ হোসেনের ঘরেও আছে এক ৮ বছরের ছেলে সন্তান সহ স্ত্রী। তারপরও সাজ্জাদ তার স্ত্রী ও সন্তানের ভিন্ন পরিচয় দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মাসুমাকে। প্রায়ই দেড় বছর এভাবেই চলে সাজ্জাদ ও মাসুমার প্রেম কাহিনী। এর মাঝেই বহুবার তাদের উভয়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে একে অপরের মনের চাওয়া পাওয়া।
সরেজমিনে প্রেমিকা মাসুমা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিগত দেড় বছর হলো ফেসবুকের মাধ্যমে সাজ্জাদ হোসেনের সাথে আমার পরিচয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ জানুয়ারি বগুড়া ফুলতলা এলাকায় সাজ্জাদের সাথে আমার প্রথম স্বাক্ষাত হয়। সেখানে তার চাচার বাসায় একটি রাত্রি ছিলাম। তারপর তার খোদাবন্দবালা গ্রামে তার বোনের বাসায় পরপর দুবার এসে রাত্রি যাপন করেছি। সর্ব শেষ গত তিন মাস যাবত আমরা উভয়ে ঢাকা আব্দুল্লাহপুর বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করে আসছি। গত রমজানে ঈদের ছুটিতে আমরা যার যার বাড়িতে আসি। ঈদ পরবর্তীতে গত শুক্রবার আমি সাজ্জাদের সাথে কথা বলে বগুড়ায় আসি। বগুড়া শেরপুরে আসলে সে আমাকে তার বাড়িতে না নিয়ে সারারাত বাসস্ট্যান্ডে বসে বসে কাটিয়ে দেয়। এর মাঝে অনেকবার আমাকে বাড়ি ফেরত যেতে চেষ্টা করে। আমি বাড়ি ফিরতে রাজি না হওয়াই বিষয়টি তার বড় বোনকে জানাই। পরে আজ শনিবার সকাল সাত টায় তার বড় বোন শেরপুর এসে আমাদেরকে তার বাড়িতে নেয়। এখানে এসে সাজ্জাদ আমাকে বিয়ে করবে না বলে তার বোনের বাড়ি থেকে সটকে পড়ে। পরে গ্রামবাসি এসে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দেয়। এমতাবস্থায় সাজ্জাদ আমাকে বিয়ে না করলে আমি আ*ত্ম*হ*ত্যা করব।
আপনার মতামত লিখুন :