পুনরায় আবার গভীর রাতে সাংবাদিক হয়ে ছাত্র সম্মনয়কের পরিচয় দিয়ে,অসহায় মহিলার বাড়িতে হামলা
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
পুনরায় আবার গভীর রাতে সাংবাদিক হয়ে ছাত্র সম্মনয়কের পরিচয় দিয়ে,অসহায় মহিলার বাড়িতে হামলা
নিজস্ব প্রতিবেদন
দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দিগার কান্দা শান্তিনগর এলাকায় গভীর রাতে এক অসহায় ভদ্রমহিলার বাড়িতে ভয়াবহ হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত বুধবার গভীর রাতে ময়মনসিংহ ৩ নং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সোহেল রানা সহযোগিতায় আনুমানিক রাত ১ টার থেকে ভোর রাত ৪ টা পর্যন্ত ও দুইজন সাংবাদিক পরিচয় দেয় তারা ছাত্র সম্মানায়ক ইতিমধ্যেই একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছে, এস আই সোহেল রানার সহযোগিতায় তারা মহিলা কাছে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা দাবি করে টাকা না দিলে তারা মহিলাকে আওয়ামী লীগের সিল মেরে দিবে বলে, এস আই সোহেল রানাকে ফোন দিলে উত্তরে বলে ওসি সাহেব সব জানে ঘটনার এক পর্যায়ে জানা যায় তার স্বামী জাহাঙ্গীর ওসি শফিকুল ইসলাম খানের সাথে আগের থেকে কথাবার্তা বলে আওয়ামী লীগের নেতৃী বানিয়ে বাড়ি দখলের চেষ্টা করে আসছে তার স্বামী জাহাঙ্গীর এর সাথে জড়িত আছেন এস আই সোহেল রানা ও দুই সাংবাদিক।
ভদ্রমহিলা থানায় মামলা করতে গেলে বিভিন্ন রকম তালবাহানা করছে ওসি এই মামলাটি নিতে ওসি সাহেবের কিসের এত ভয়,সাংবাদিকদের সামনে বড় বড় আওয়াজে বলেছে মহিলা যখন বলেছে স্যার আপনি নাকি মামলা নিবেন না তখন ওসি সাহেব জিজ্ঞেস করেছে বড় বড় গলা করে বলেছে কে বলেছে মামলা নিব না মামলা নিব অবশ্যই আপনার মামলা হবে আর এখন বলছে তোমার মামলা নেওয়া যাবে না ভদ্র মহিলার দুচোখ জুড়ে অশ্রু বের হতে বের হতে থানা থেকে বের হয়ে যায়
এ কেমন ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা সদরের আইন-শৃঙ্খলা ওসির কথা দেশে কোন আইন আছে আমার ইচ্ছা আমি মামলার নিবো না
বেপরোয়া ওসির সাথে কথা বলা যায় না কারো কোন কথা শুনেনা।
ময়মনসিংহ সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ কোতোয়ালি থানার ওসির বিরুদ্ধে,প্রশাসন তা হলে কি ব্যবস্থা নিবে,ওসির দাপটে প্রভাব খাটিয়ে ঐ দুই সাংবাদিক ও এসআই সোহেল রানা এই মহিলার বাড়িতে হামলার পরিকল্পনা করে। এর সাথে আরো কারা কারা জড়িত আছে তা খুঁটিয়ে দেখলে গর্তের বিড়াল বের হয়ে যাবে এই চক্রের সাথে প্রশাসনের অন্য কোন চক্রান্ত আছে কি না তা একটু প্রশাসন খুঁটিয়ে দেখলে সাধারণ জনগণের মুখে হাসি ফুটবে,
ভুক্তভোগী মহিলার ভাষ্যমতে,গভীর রাতে দুই সাংবাদিকের হয়ে এর সাথে ছিল ছাত্রসম্মনয়কের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন এরা কি ছাত্র সাম্য নায়ক না অন্য কোন চক্রান্ত এই বিষয়ে এসআই সোহেল রানার সাথে কথা বলতে চাইলে সে কোন কিছু বলতে রাজি নয় সে বারবার বলে ওসি সাহেব জানে আরো দেখা যায় দুই সাংবাদিক কিছু লোকজন নিয়ে তার বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে তারা প্রথমে কেচি গেট খুলতে জোর করে এবং বলে "ওসি সাহেব আপনাকে ডাকছেন" মহিলাটি নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গেট না খুলে জানিয়ে দেন, সকাল হলে তিনি থানায় গিয়ে ওসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি আরও জানান, তার বাড়িতে একমাত্র মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই এবং এত গভীর রাতে কোনো মামলা বা অভিযোগ ছাড়াই এভাবে ডাকাটাই সন্দেহজনক।
এসময় উপস্থিত ছিলো মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা গেট ভেঙে ফেলার হুমকি দেয় ওই দুই সাংবাদিক যাদের নাম বিল্লাল হোসেন মানিক ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন এছাড়া অন্য যারা ছিল তাদের কেউ আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে যেকোনো সময় তারা হতে পারে গ্রেফতার ও সাদেক এবং জানায়, যদি গেট না খোলা হয়, তবে বাসার সমস্ত জিনিসপত্র লুটপাট করে নেয়া হবে এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করা হবে।যদি বাঁচতে চাস তা হলে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা দিতে হবে, প্রাণভয়ে মহিলা বলে আমি টাকা কোথায় পাবো কথার এক পর্যায়ে কথার এক পর্যায়ে খারাপ ভাষায় গালি দিয়ে বলে গেট খুল তারপর তোকে বুঝাচ্ছি এই বলে গেটে জোরে জোরে লাথি মারতে থাকে এস আই সোহেল রানা বলেন গেট খুলেন মহিলার এক কথা সকাল হলে আমি গেট খুলবো সারা রাত আতঙ্কের মধ্যে কাটান এবং পরদিন সকালে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু কোন লাভ হয় নাই এখন পর্যন্তই মামলাটি তদন্ত করছেন না ওসি কোতোয়াল থানা পুলিশ।
পরবর্তীতে জানা যায়, অভিযুক্ত দুই সাংবাদিক নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ভুক্তভোগী মহিলাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা আদায় করার অনেক চেষ্টা করেও লাভ হয় না । এস আই সোহেল রানা তবে প্রকৃত সমন্বয়কগণ নিশ্চিত করেছেন যে,অভিযুক্তরা প্রকৃতপক্ষে কোনো সমন্বয়ক নন। তাহলে এস আই সোহেল রানার সাথে ছাত্র সম্মানায়ক কারা ছিল ।
ভুক্তভোগী মহিলা প্রশাসনের কাছে প্রাণের নিরাপত্তা চেয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানান। ওসি সাহেবের এক কথা দেখছি ভুক্ত ভোগী রুনা আক্তার তিনি অভিযোগ করেও অভিযুক্ত দুই সাংবাদিক এখনো তাকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছে এবং তাকে ভয় দেখানো হচ্ছে।
ঘটনার দুই দিন পর ভুক্তভোগী রুনা আক্তার থানায় গিয়ে মামলার এজাহার দায়ের কথা বললে ওসি শফিকুল ইসলাম খান তাকে বলেন আমি দেখছি তবে মামলা নিতে চান না ? মামলা নিবেন কি করে ওসি কোতোয়ালি জড়িত এটা সাধারন মানুষ বুঝে নিয়েছে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে কি? এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি এক কথা দেখছি কি করা যায়। চোখে অশ্রু নিয়ে থানার গেট থেকে বের হয়ে আসে ভুক্তভোগী রুনা আক্তার সাধারণ জনগণের ফলাফল কি তবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ৩ নং পুলিশ ফাঁড়ি এস আই সোহেল রানার বিরুদ্ধে তদন্ত করা হোক
এই দুই সাংবাদিক আগে পেশা ছিলো একজন মাদক সেবনকারী রিয়েব সেন্টার পরিচালক অন্য আরেকজন ছিলেন লেদ মিস্ত্রী এরা দুজন মিলে অন্য এক ব্যক্তির দোকানে নিজেরাই ইয়াবা রেখে দোকানদারকে ডেকে নিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন,দোকানদার টাকা দিতে রাজি না হলে তাদের পেতে রাখা জালে প্রশাসনকে কে ডাল বানিয়ে ওই দোকানদারকে জিম্মি করার চেষ্টা চালায়, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ফেঁসে গেল দুই সাংবাদিক তাদের পাতানো জালে অন্যদিকে ডেভিল হান্ট অপারেশনের আসামিদেরকে বাঁচিয়ে দিবে বলে কয়েক লক্ষ টাকা তাদের কাছ থেকেও হাতিয়ে নেন,সিসি ফুটেজের ভিডিও পাবলিসিটি হলে কিছুদিন গা ডাকা দেন কেন তাদেরকে প্রশাসন গ্রেফতার করছে না জনতা জানতে চায় ক্রিমিনাল সে যে পরিচয়ই হোক তার পরিচয় সে একজন ক্রিমিনাল সকল প্রশাসনের সিনিয়ার আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কারী বাহিনী ময়মনসিংহ জেলা ডিসি ডিআইজি এসপি ময়মনসিংহ থানার ওসি তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তাদেরকে দ্রুত সময় গ্রেপ্তার করা হোক, তা দেখে অন্যান্য ক্রিমিনাল রাও যেন ভাল হওয়ার সুযোগ পেয়ে যাক অভিযুক্ত কারীদের দৃষ্টান্তমূল শাস্তির দাবি সাধারণ জনতা ও সাংবাদিক মহল। এত কিছু দেখেও প্রশাসন কেন নিরব ? এ নিয়ে কৌতুহল শুরু হয়েছে সাধারণ জনতার মাঝে।
তাদের গোপন তথ্য ফাঁস করার কারণে
শনিবার রাত দুইটায় সাদেক এক সাংবাদিকে ফোন দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন সাংবাদিক বলেন আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য মাদকসম্রাট সাদেকের মত সন্ত্রাসীকে ভাড়া করেন বিল্লাল হোসেন মানিক, দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠস্বরের সাংবাদিক মোঃ সেলিম সাজ্জাদকে সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী সাদেক বলে কালকে জিডি করতে গেলে তোকে থানার সামনে মেরে ফেলবো তোর জিভ কেটে নেবো এবং তোর হাত কেটে নেবো যে হাতে লিখেছি, প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন যেন এইসব সন্ত্রাসীদের হাতে আর কোন সাংবাদিক মৃত্যুবরণ না হয় তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি ওরা ভয়ংকর সন্ত্রাসী
ওদের মত ভয়ংকর সন্ত্রাসীদেরকে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দিয়ে এদেশের সাধারণ জনগণকে জানমালের দায়িত্ব রক্ষা করার প্রশাসনের কর্তব্য।
তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আওতায় আনা হোক।
আপনার মতামত লিখুন :