নারী প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন পুরুষরা।


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ সেলিম সাজ্জাদ,স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ বিভাগঃ



বিয়ে বা ব্ল্যাকমেইলের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়, জড়িত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়!
বর্তমান সমাজে এক নতুন আতঙ্কের নাম নারী প্রতারক চক্র। এই চক্রের সদস্যরা প্রথমে নিরীহ পুরুষদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে, পরে বিয়ের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। টাকা না দিলে একমাত্র শর্ত—বিয়ে করতে হবে! কিন্তু এই ধরনের নারীদের আসল উদ্দেশ্য কখনোই সংসার করা নয়, বরং একাধিক জায়গায় বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া।
এমনই এক চক্রের সদস্য মোছাঃ পাখি আক্তার, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে একাধিক পুরুষকে ফাঁসানোর। পাবনার সাথিয়া উপজেলার আরাজিগোপীনাথপুর গ্রামের আয়নাল ফকিরের মেয়ে পাখি আক্তার বর্তমানে আশুলিয়ার নবীনগরের জালালাবাদ মডেল টাউনে বসবাস করছেন।
কনস্টেবল মোখলেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ!
সর্বশেষ শিকার হন ফুলবাড়িয়া রাঙ্গামাটিয়ার আলতাব আলীর ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মোখলেস। তার বিরুদ্ধে ভুয়া অভিযোগ এনে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আদায়ের চেষ্টা চলে। কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য—এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য পুরুষদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা এবং তাদের সামাজিকভাবে হেয় করা।
প্রতারণার আড়ালে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা! তদন্তে বেরিয়ে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু ব্ল্যাকমেইল নয়, এই চক্রের সদস্যরা জড়িত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়। এরা পুরুষদের ফাঁদে ফেলে তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিপজ্জনক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দরকার
নারী প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়ে চলেছে, যা সমাজের জন্য এক ভয়ঙ্কর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনের কাছে দাবি, অবিলম্বে এই প্রতারক চক্রকে চিহ্নিত করে কঠোর আইনের আওতায় আনা হোক, যাতে আর কেউ এই ধরনের প্রতারণার শিকার না হন।
আপনার চারপাশে এমন কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত প্রশাসনকে জানান এবং প্রতারণার ফাঁদে পড়া থেকে সতর্ক থাকুন!


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ