ক্রাইম নিউজ, দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ঢাকা:
ঢাকা টু কক্সবাজার রোডে চলাচলকারী দূরপাল্লার পরিবহন ‘প্রবাসী এক্সপ্রেস’ বাসের বিরুদ্ধে জামানতের নামে অর্থ আত্মসাৎ, চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে প্রতারণা এবং স্টাফদের মাদকাসক্তিসহ নানা গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন ভুক্তভোগী সুপারভাইজার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
⚠️ বিশেষ সতর্কবার্তা (যাত্রী সাধারণের জন্য):
যাত্রী সাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, প্রবাসী এক্সপ্রেস বাসের ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারদের একটি বড় অংশ নিয়মিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত এবং প্রতিষ্ঠানটির বৈধ কোনো কাগজপত্র বা রুট পারমিট নেই। যাত্রীদের জীবনের নিরাপত্তা ও আইনি ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সর্বসাধারণকে এই গাড়িতে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
মূল অভিযোগসমূহ:
ভুক্তভোগী সুপারভাইজারদের বিবরণ:
১. মোঃ সাহাবউদ্দিন: ২০ হাজার টাকা জামানত দেওয়ার পর তাকে কোনো ডিউটি দেওয়া হয়নি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে ম্যানেজার ইব্রাহিম ও তার দলবল তার কাছ থেকে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করে এবং জীবননাশের হুমকি দেয়।
২. মোঃ রাসেল: ১০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পর থেকেই চাকরির আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও তাকে কোনো ডিউটি বা টাকা কোনটিই দেওয়া হচ্ছে না।
৩. মোহাম্মদ ইয়াসিন: ২০ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পর তাকে ডিউটি না দিয়ে প্রতারক চক্র পুরো টাকা আত্মসাৎ করে নেয়।
৪. মোঃ শাহিন ইসলাম: জামানতের ২০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রবাসী এক্সপ্রেসের অফিসে ঘুরেও তিনি এখনো টাকা বা চাকরি পাননি।
৫. মোঃ ইউসুফ শেখ: ২০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও তাকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি:
সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের সাথে চলা এই অভিনব প্রতারণা বন্ধ করতে ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে বর্তমান সরকারের কাছে নিম্নলিখিত দাবি জানানো হয়েছে:
আপনার মতামত লিখুন :