দেশের রাজনীতিকে বিরাজনীতি করার লক্ষে তারেক রহমানকে আসতে দেয়া হয়নি, মিলন


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

দেশের রাজনীতিকে বিরাজনীতি করার লক্ষে তারেক রহমানকে আসতে দেয়া হয়নি, মিলন
______________________________


দীর্ঘ প্রায় আঠারো বছর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তিনি বাইরে ছিলেন। কেনো তিনি বাইরে ছিলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এটা করা হয়েছিল। ২০০৭ সালের জানুয়ারী মাসে একটা ফ্যাসিস্ট চক্র ওয়ান ইলেভেন-এর সময় ক্ষমতা দখল করেছিলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশের রাজনীতিকে বিরাজনীতিকরণ করা। সে সময় মাইনসা টু বলা হলেও মূলত সে সময়ে মাইনাস ওয়ান ফরমুলা করার জন্য কাজ করা হয়েছিলো বলে তিনি বলেন। 

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে ছাত্রদলের আয়োজনে রোববার (২৮ ডিসেম্বর ) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সম্পাদক ও রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন। ওয়ান ইলেভেন এর সময়ে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিলো। তারেক রহমানের মেরদন্ডের ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিলো। সে সময়ে তারেক রহমানের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপূর্ন হওয়ায় তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। 

তিনি তখন চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। এরপর তাঁর নামে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক ১০০ এর উপরে মামলা এবং মামলায় যাবতজীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। তিনি যেনো দেশে আসতে না পারেন সেজন্য এটা করা হয়েছিলো। তারেক রহমানের পাসপোর্টও আটকিয়ে দেয়া হয়। এজন্য তিনি আর দেশে ফিরতে পারেননি। পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত সতের বছর সকল প্রকার অপকর্ম করেছে। মানুষের নামে গায়েবী মামলা দিয়েছিলো। গুম, খুন ও মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে ছিলো। অমানবিক নির্যাতন করেছে। সে সময়ে কেউ সুষ্ঠুভাবে রাজনীতি করতে পারেনি। ছাত্ররা সঠিকভাবে লেখাপড়া করতে পারেনি। খুনি হাসিনা ২০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারেনি, যুবকরা চাকরী পায়নি, শ্রমিক ও কৃষকরা ন্যায্য মজুরী পায়নি। দেশের সকল মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিলো।

এ অবস্থায় সর্বশেষ ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে ৩৬ জুলাইয়ে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে প্রাণে বাচেন। সকল শ্রেণি পেশার মানুষ এই আন্দোলনে অংশ নেয়। আর এই আন্দোলনে প্রায় দেড় হাজারের বেশী ছোট থেকে বৃদ্ধ বয়সী  মানুষকে হত্যা করেছিলো খুুনি হাসিনা। এক কথায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা গণহত্যা চালায়। আর ৫ আগস্টের কারনেই তারেক রহমানের দেশে আসার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিলো। এর ফলস্বরুপ তারেক রহমান চলতি মাসের ২৫ তারিখ দেশে ফিরেছেন। তাঁকে রাজকীয় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রোববার সকালে নওহাটা পৌরসভার একটি হলরুমে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পবা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলামিন-এর সভাপতিত্বে ও মোহনপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামিম সরকার, দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর বুলেট, মোহনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান রুবেল, নওহাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রহমান, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ, কবি নজরুল ইসলাম সরকারি কলেজ ঢাকা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেল মৃধা ও সোহরওয়ার্দি কলেজ ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহপ্রমুখ।


মোঃ নাসির উদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার 


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ