দিনাজপুর জেলার জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়া


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

মোঃ কামরুজ্জামান 
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:



দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের রাজনীতিতে জনপ্রিয় মুখ এবং গনমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়া।

তিনি হলেন তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন রাজনীতিবিদ এই নেতা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন। আখতারুজ্জামান মিয়া’র রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় বড় ভাই মরহুম জাকারিয়া মিয়া’র মৃত্যুর পর। তিনি এক সময় চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপি ও দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর আখতারুজ্জামান মিয়া সক্রিয়ভাবে চিরিরবন্দর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে খানসামা উপজেলাতেও সংগঠনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন আখতারুজ্জামান মিয়া। তিনি দুই উপজেলায় মোট ১৬২টি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপিকে নতুনভাবে সুসংগঠিত করেন। এ কারণে স্থানীয় ভাবে তাকে আধুনিক বিএনপির রূপকার হিসেবে অভিহিত করা হয়।

২০০১ সালের ১ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ আসনে তিনি আওয়ামীলীগের হেভিওয়েট প্রার্থী ও টানা তিনবারের সংসদ সদস্য সাবেক হুইপ, মিজানুর রহমান মানুকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে উপহার দেন।
  
রাজনীতির অস্থির সময়েও তিনি ছিলেন আন্দোলনের সামনের সারিতে। ২০০৭ সালের সেনাশাসিত সরকারের সময় থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর-৪ আসনে প্রায় সব আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দিনাজপুর-৪ আসনে প্রতিহত হয়ে স্থগিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৬ জানুয়ারি পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নেতাকর্মীরা তখন জেল-জুলুম ও হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, তখন তাদের অধিকাংশের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত ও আইনি সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি আদালত থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত জামিন কার্যক্রমে সরাসরি সময় দিয়েছেন। আজও তাকে দিনাজপুর কোর্টের বারান্দায় নেতাকর্মীদের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

এমপি নির্বাচিত হয়েও তিনি ঢাকায় না থেকে নিজ গ্রামে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
সবসময় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের  সুখে-দুঃখে পাশেই থাকতে পছন্দ করেন তিনি।
বর্তমানে আখতারুজ্জামান মিয়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিএনপির এই কঠিন সময়ে চিরিরবন্দর ও খানসামার সাধারণ জনগণ আবারও তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায়।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ