তারেক রহমানের আগমন,৪ কোটি ভোটের মালিক বিএনপি, ত্যাগী নেতাকর্মীদের চাই মূল্যায়ন
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
তারেক রহমানের আগমন,৪ কোটি ভোটের মালিক বিএনপি, ত্যাগী নেতাকর্মীদের চাই মূল্যায়ন
________________________________
আজকে ২৫ ডিসেম্বর, দীর্ঘ সতেরো বছর পর দেশে আসলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি)র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিমানবন্দরের আশেপাশে, ৩০০ ফিট রাস্তাসহ সমগ্র দেশজুড়ে ছিলো আনন্দের মিছিল। এই মর্মে তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি আর্কষণ করছি যে, গত সতেরো বছর ধরে বিএনপির কয়েক লাখ ত্যাগী নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য এবং কষ্টের ফসল, এই আজকের আনন্দ মিছিল।
এখানে রয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ জড়িত । এখানে রয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম, ধৈর্য্য এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে মায়া মমতাআর মাতৃ স্নেহ।
তারেক রহমান সাহেব, আপনি এমন একসময়ে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে এসেছেন। সমগ্র দেশের সবাই যখন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। কঠিন এক প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সামনে সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে। তবে বিএনপি ভালো ফলাফল নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে সিংহভাগ ।
আজকের এই লেখাটির মুল বিষয় হলো। ত্যাগী নেতাকর্মী প্রসঙ্গে। আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় আসতে দেখেছি। দল ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গে উড়ে এসে জুড়ে বসা কিছু লোকের আগমন ঘটে যায় সহসা। যার ফলে প্রকৃত নেতাকর্মীরা এখানে আর কোনো সুযোগ পায় না। দল ক্ষমতায় আসার জন্য আপন মনে যারা কাজ করেন। তারাই মূলত ত্যাগী নেতাকর্মী। অনেক ক্ষেত্রে এই ত্যাগী নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে অবহেলিত হয়ে যায়। যা দুঃখজনক।
এ দিকে দল ক্ষমতায় আসার পর। দলীয় এমপি মন্ত্রীরা ঐ সকল ত্যাগী নেতাকর্মীদের কথা একদম ভুলে যান প্রায় সবাই । তখন তাদের বেড়ে যায়, স্বজনপ্রীতি, আত্মীয় প্রীতি। এমনকি একজন এমপির পিএস, এপিএস দের কাছে তখন দায় দমক পর্যন্ত খেতে হয়, বিশেষ করে অস্বচ্ছল তাগী নেতাকর্মীদের। কারণ হলো এমপিদের পিএস, এপিএস ওরা শতভাগ অসৎ হয়ে থাকে। তখন ওরা সময় দেয়। ব্যবসায়ী ব্যক্তিগণ বা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথেই বেশি ।
এই মর্মে তারেক রহমান সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, গত সতেরো বছর ধরে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা কঠিন সময় পার করেছেন, জেল জরিমানা, হামলা, মামলা মোকাবেলা করতে হয়েছে। অনেকের সংসার ভেঙ্গে গেছে। অনেকের অর্থ নষ্ট হয়েছে। অনেকেই ষোল বছর পর্যন্ত, নিজের বাড়িতে রাত যাপন করতে পারেননি পর্যন্ত। আশাকরি এই সকল ত্যাগী এবং পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের জন্য আলাদাভাবে জরিপ করবেন। এবং তাদের সুবিধা অসুবিধা গুলো দেখার জন্য আলাদা একটি কমিটি, ( ত্যাগী নেতাকর্মী সুরক্ষা কমিটি ) গঠন করবেন। দল ক্ষমতায় আসার পরও যেন তারা কেউ সুবিধাবঞ্চিত না হন । মনে রাখবেন দলীয় একজন ত্যাগী কর্মী শত শিল্পপতির চেয়েও অনেক বড় হয়ে থাকেন।
দেশের উন্নয়ন, দশের উন্নয়ন এগুলো দল ক্ষমতায় আসলে। সেগুলো ধারাবাহিক ভাবেই চলে। তাতে কোন সমস্যা হয় না। তবে সর্বস্তরের জনগণের মন জয় করতে হলে, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। ভ্যাট- ট্যাক্স সীমাহীন বাড়ানো যাবে না। এবং কৃষি উৎপাদন এবং রপ্তানি খাতে জোরালো ভূমিকা রাখা খুবই জরুরি। আগামী দিনগুলোর জন্য রইল শুভকামনা।
অথই নূরুল আমিন
কবি কলামিস্ট ও রাষ্ট্রচিন্তক
আপনার মতামত লিখুন :