পহেলা জুন থেকে সুন্দরবন ও নদীতে মাছ কাকড়া আহরণ নিষিদ্ধ করেছে বনবিভাগ


FavIcon
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
  • প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড

ছবির ক্যাপশন:

এম মনিরুল ইসলাম 
স্টাফ রিপোর্টার,সাতক্ষীরাঃ



বন আইন অনুযায়ী প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পহেলা জুন থেকে তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে নদীতে চিংড়ি ও গলদা রেনুপোনা কাকড়া ধরা নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ।

তথ্য মতে প্রকাশ,আগামী তিন মাস প্রজনন মৌসুম বংশ বিস্তার কালীন সময় হিসেবে সুন্দরবনের সকল সম্পদ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ প্রধান কার্যালয় শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী রেঞ্জের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে সকল শ্রেণীর জনসাধারণকে জেলে বাওয়ালিকে অবহিত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নিষিদ্ধ কালীন সময়ে একদল চোরাকারবারি লোক চক্ষুর অন্তরালে সুন্দরবনে নদীতে গোপনীয়তার সাথে সরকারি সম্পদ নষ্ট করার পায়তারা চালাচ্ছে। সাতক্ষীরা শ্যামনগরের খোলপেটুয়া নদীতে নেট জলের ব্যবহার বারো মাস চলে থাকে। কতিপয় ব্যক্তিবর্গ উক্ত নেট জাল ব্যবহারে সহযোগিতা করে নোটের লেনদেন করে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

নদীতে নিষিদ্ধ নেট জাল ব্যবহারে সিন্ডিকেটের ম্যানেজ করতে হয় বলে কয়েকজন জেলে জানান। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে বন বিভাগের পক্ষ থেকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তা বৃন্দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, বনবিভাগ সর্বদা চোরাকারবারি ও দুষ্টু চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে চলেছেন। দেশের সম্পদ তথা আমাদের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের, জনসাধারণের তথা প্রশাসনের।বিশেষ করে নদী ও বনে নির্ভরশীলজেলে বাওয়ালিদের হয়তো জীবিকা নির্বাহে কিছুটা কষ্ট হবে তবুও দেশের সম্পদ রক্ষার আহবান জানানো যাচ্ছে। আসুন দেশের সম্পদ রক্ষা করি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভালো রাখি। 

চোরা শিকারি ও অসাধু জেলে বাওয়ালিদের অপকর্ম দেখলে সর্বসাধারণের পক্ষ থেকে তথ্য দিয়ে বন বিভাগ তথা প্রশাসনকে সহযোগিতা করারআহ্বান জানানো যাচ্ছে।


ad728

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ