সুন্দরবন দুটি স্টেশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গোপনীয়তার সাথে বিতরণ হচ্ছে ডাকাত কার্ড
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
স্টাফ রিপোর্টার সাতক্ষীরাঃ
খুলনা পশ্চিম বন বিভাগের অধীনে চারটি প্রধান রেঞ্জ কার্যালয় কর্মকর্তা বৃন্দ,অন্যতম সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধীনে দুটি টহল ফারির বিরুদ্ধে চুক্তির বিনিময় উৎকোচ গ্রহণ সহ একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গভীর অনুসন্ধানে তথ্য উদঘাটনে প্রকাশ, সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকাগুলোর অধীনে ফরেস্ট স্টেশন গুলো ওসি এবং ক্যাশিয়ার ১২ মাস চুক্তিভিত্তিক সুন্দরবন ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডে যুক্ত থাকে।
গত ২৯ শে মার্চ পুষ্প কাটি ওসির অধীনে, গাবুরা গ্রামের অয়ন কোম্পানির সাতটি ফাস জালের নৌকা, কামরুল কোম্পানির চারটি চরপাটা ধরার নৌকা ও বুড়িগোয়ালিনী গ্রামের হোসেন কোম্পানির ফাইবার জালের নৌকা পুষ্পকাটি এলাকায় প্রবেশ করে। যা সম্পূর্ণ চুক্তিভিত্তিক। মান্দারবাড়ীয়া এলাকায় রয়েছে অবৈধ তিনটি ভারতীয় জাহাজ। হয়তো অবৈধ জিনিস বহন করছিল।ওসির জিম্মায় দেন দরবার ছাড়া এখন তো আর কিছুই হয় না। এই হল বৃহত্তম সুন্দরবনের সামান্য দুটি স্টেশনের হালচাল।বাকি অভয়ারণ্য লেখাগুলোতে হরিলুট চলছে বলে অভিযোগ অনেকের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকটি কোম্পানি স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বলেন,বর্তমানে সুন্দরবনে ডাকাতের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।লোকালয়ের অয়ন কোম্পানি হোসেন কোম্পানির মাধ্যমে ডাকাত কার্ড করে দিচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ কার্ড করা হচ্ছে।
প্রতিটি বাহিনীর জন্য একটি করে কার্ড। সর্বহারা জেলে বাওয়ালিদের পক্ষে এটি কি সম্ভব?একে তো কোম্পানি সেজে চুক্তিভিত্তিক সুন্দরবনে নানান অপকর্মে লিপ্ত থাকে তারপরেও দুই কোম্পানির যোগসাজোসে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে,জেলেদের মধ্যে বিতরণ হচ্ছে ডাকাত কার্ড। সাতক্ষীরা রেঞ্জের
বড়িগোয়ালিনী প্রধান কার্যালয়ের অধীনে পুষ্পকাটি মান্দারবাড়ি সহ অভয়ারণ্য এলাকার ফরেস্ট স্টেশন গুলো চুক্তিভিত্তিক অপকর্ম করে থাকে।
নাম প্রকাশে শতাধিক জেলে বাওয়ালি চুক্তির কথা স্বীকার করেছেন।একজন সরকারি কর্মকর্তার জন্য,অফিসের জন্য এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক বিষয়। একদিকে সুন্দরবনে জলদস্যুর উপদ্রব অন্যদিকে চুক্তি না হলে সুন্দরবনে আয়-রোজগার করা যাবে না। পুষ্প কাটি ও মান্দারবাড়িয়া স্টেশন ওসি সাহেবের সাথে মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মহাবিপদে হাজারো জেলে বাওয়ালিরা শ্যামনগরের দুর্যোগে ক্ষতবিক্ষত অবহেলিত জনগোষ্ঠী,খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তা মহোদয়ের নিকট সুষ্ঠু সমাধান ও ন্যায় বিচারের জন্য বিনীত দাবী জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :