স্বাগত ১৪৩২: ভিন্ন আঙ্গিকে হচ্ছে নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা খুলনা
প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর ডেক্সঃ
- প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
জেনারেট ফটোকার্ড
শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু ব্যূরো প্রধান খুলনাঃ
আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩২, বরাবরের মতো নানা আয়োজনে উদযাপিত হতে যাচ্ছে বাংলা নতুন বছর, রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে, বাণী দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ মোঃ ইউনুস, বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ, দিনটিকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত সর্বস্তরের মানুষ, বসন্তের রঙ্গিলা পালকিতে চড়ে আশা বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ কে স্বাগত জানাতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে মগ্ন ফুলতলা বিএনপি সহ সাধারণ মানুষ, একই সাথে শোভাযাত্রায় নেমেছে খুলনা শহরের সর্বাস্তরের মানুষ, এবার নববর্ষের ঐক্যতান, ফ্যাসিবাদের অবসান প্রতিপাদ্য নিয়ে ইউনেস্কো স্তীকূত মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা রাখা হয়েছে, আজ সকাল ১০ টায় ফুলতলা উপজেলা বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করেন, বিএনপি'র সংগঠনের নেতাকর্মীরা, বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শোভাযাত্রাটি ফুলতলা বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন, একই সঙ্গে খুলনার বিভিন্ন পয়েন্টে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়, এই শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি ঐতিহ্য এবং একাত্মতা উদযাপিত হবে যা এখন দেশব্যাপী একটি পরিচিত সাংস্কৃতিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে, খুলনার আনন্দ শোভাযাত্রা থেকে কথা হয় মোঃ রাকিবের সঙ্গে, তিনি বলেন, এবারে ভিন্ন আঙ্গিকে আমরা পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে যাচ্ছি, শোভা যাত্রার জুলাই আন্দোলনের নিহত মুগ্ধের পানির বোতল প্রতিকৃতি ও ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সাংহতি জানিয়ে তরমুজের মোটিভ যুক্ত করেছি আমরা,
ইতিমধ্যেই ফ্যাসিস্টের প্রতিকৃতি পুনরায় তৈরি করা হয়েছে, সকল প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে এবারের পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রা আরো ও রঙ্গিন বর্ণিল এবং তাৎপর্যমন্ডিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, শোভাযাত্রা অংশগ্রহণকারীদের থাকছে বর্ণিল পোশাক,
নানা ধরনের শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে শোভাযাত্রা চলাকালীন বর্ণনাঢ্য সংগীত নিত্য এবং লোকজ সংস্কৃতি পরিবেশন করা হবে, পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ এই আনন্দ শোভাযাত্রা ইতিমধ্যেই খুলনা ফুলতলা ঢাকা সহ সারা দেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে,
শোভাযাত্রা শুধু সংস্কৃতির উৎসব নয়, এটি সামাজিক সচেতনতা তৈরীর ও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, বিশেষত দেশের এক একত্বতার প্রতীক হিসেবে আনন্দ শোভাযাত্রা বাঙালির ঐতিহ্যকে যুগে যুগে ধরে রাখবে,
আপনার মতামত লিখুন :